‘১০ জেলায় হামের প্রকোপ, বাড়ছে শিশুর মৃত্যু’
Somoy TV

‘১০ জেলায় হামের প্রকোপ, বাড়ছে শিশুর মৃত্যু’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে।এক নজরে জেনে নিন দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় রোববার (২৯ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদন। ১০ জেলায় হামের প্রকোপ, বাড়ছে শিশুর মৃত্যু - শিরোনামটি সমকালের প্রথম পাতার প্রধান খরব। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের অন্তত ১০টি জেলায় হাম রোগ উদ্বেগজনকভাবে সংক্রমিত হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত ১২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঁচ শিশু এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহে মারা গেছে তিন শিশু। পাবনায় গতকাল শনিবার ২৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চলতি মাসে হামে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে গেছে।  রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ সেবা না পেয়ে ১৫ দিনে মোট ৪৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে আরও কেউ কেউ হামে আক্রান্ত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ঈদে কেন এত সড়ক দুর্ঘটনা - দৈনিক কালের কণ্ঠের শেষ পতায় প্রকাশিত খবরের শিরোনাম এটি। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদ মানেই ঘরে ফেরার গল্প—স্টেশন ভর্তি ভিড়, সড়ক ও নদীপথে গাদাগাদি যাত্রা আর প্রিয়জনের কাছে পৌঁছার আনন্দ ও ব্যাকুলতা। কিন্তু এবারের সেই যাত্রাপথে আনন্দের চেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে শোকের খবর। সড়ক, রেল ও নৌ—তিন পথেই একের পর এক দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে তিন শতাধিক প্রাণ; অসংখ্য পরিবারে ঈদের হাসি রূপ নিয়েছে কান্নায়।  গত ১৮ মার্চ রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় নৌকা থেকে লঞ্চে উঠতে গিয়ে দুটি লঞ্চের চাপে দুজন নিহত হয়। একই দিন কুমিল্লায় একটি যাত্রীবাহী বাস রেললাইনে উঠে ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে ১২ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়। ঈদের পর ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে ২৬ জন নিহত হয়; কিছু যাত্রী এখনো নিখোঁজ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ: এক-এগারোর দায় অন্যদের ওপর চাপাচ্ছেন মাসুদ উদ্দিন - এই শিরোনামে দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ২০০৭ সালে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারির ক্ষেত্রে নিজে দায় এখনো স্বীকার করেননি। পাশাপাশি এক-এগারোর সময় বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের দায়ও অন্যদের ওপর চাপিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।  সূত্রগুলো বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ উদ্দিন দাবি করেন, ২০০৭ সালে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন। তাঁকে নির্যাতনের ঘটনা তখনকার একজন পরিচালকের নেতৃত্বে ঘটেছে। তিনি তখন সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন। এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে মানব পাচার–সংক্রান্ত একটি মামলায় রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে আছেন। সব যেন তেলের ডিপো, গোয়ালঘর-দোকান-ধানের গুদামে মজুত - দৈনিক যুগান্তেরের প্রথম পতায় প্রকাশিত প্রধান খবরের শিরোনাম এটি। জ্বালানি তেল নিয়ে দেশব্যাপী মারাত্মক সংকটের মধ্যেও একশ্রেণির অতি মুনাফালোভী, সুযোগসন্ধানী ব্যবসায়ী যেখানে সেখানে গড়ে তুলেছেন তেলের মজুত। সংকটকে পুঁজি করে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা দোকান, বাসাবাড়ি, ধানের গুদাম, ভবনের ভূগর্ভ, মুদি দোকান, এমনকি গোয়ালঘরেও অবৈধভাবে মজুত করেছেন পেট্রোল, ডিজেল। গোপন খবরের ভিত্তিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে এসব জ্বালানি তেল উদ্ধার করছেন, জরিমানা করছেন, কারাদণ্ড দিচ্ছেন। অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধারের চিত্র দেখে মনে হচ্ছে গোয়ালঘর-দোকান-বাসাবাড়ি যেন তেলের ‘ডিপো’। সরকার তেলের পাম্পে নিরাপত্তা প্রদান ও তেল পাচার ঠেকাতে বিভিন্ন জায়গায় বিজিবি মোতায়েন করেছে। কোথাও কোথাও পুলিশও নিরাপত্তা দিচ্ছে।  শনিবার বিভিন্ন পাম্পের সামনে দেখা যায় শত শত গাড়ি। কিন্তু তেল নেই। জ্বালানি তেল বাড়ি, গোয়ালঘর, দোকানে মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। শনিবার পাবনা, কুড়িগ্রাম, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনায় হাজার হাজার লিটার মজুতের তেল জব্দ করা হয়েছে। দোষীদের জরিমানা এবং কারাদণ্ড দিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ময়মনসিংহে পপি ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাটির নিচের ট্যাংক থেকে ২৪ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়। এমনকি তুলনামূলকভাবে দাম বেশি থাকায় ভারতেও পাচার হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ তেলের মজুত ও পাচার ঠেকাতে দেশের সব পেট্রোলপাম্পের জন্য ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এদিকে পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে নাটোরের বড়াইগ্রামে সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। জামালপুরে তেল না পেয়ে মোটরবাইকাররা জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।

Go to News Site