Somoy TV
ফরিদপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি নেতা ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসানের প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের মরহুম সাংবাদিক শামসুদ্দীন মোল্লা মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে জুলফিকার হোসেন অভিযোগ করেন, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মাহমুদুল হাসান “ফ্যাসিবাদের দোসর” এবং “ফ্যাসিবাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী” হিসেবে কাজ করছেন। তিনি অবিলম্বে ওসির প্রত্যাহারের দাবি জানান।ওসিকে প্রত্যাহার করা না হলে এ বিষয়ে আন্দোলন গড়ে তোলারও ঘোষণা দেন বিএনপির এই নেতা।ওসির প্রত্যাহারের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে জুলফিকার হোসেন জানান, গত বুধবার বিকেলে শহরের জনতা ব্যাংকের মোড় এলাকায় তার কার্যালয়ে বহিরাগত কয়েকজন মাদকসেবী তার কর্মী আরিয়ান খান শিহাবকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ওসিকে ফোন করে তার কার্যালয়ে আসতে বলেন। তবে ওসি সেখানে যাননি। পরে তার কর্মীকে মারধরের ঘটনায় জড়িত আফ্রিদী নামে এক তরুণকে তার সমর্থকরা আটক করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করেন। কিন্তু ওসি তাকে গ্রেফতার না করে বৃহস্পতিবার দুপুরে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।আরও পড়ুন: মোমের আগুনে কেয়ারটেকারের পুরুষাঙ্গ ঝলছে দেয়া ডিবির সেই ওসি প্রত্যাহারজুলফিকার হোসেন আরও বলেন, এসব ঘটনার কারণে তিনি নিজেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন কিংবা তার কোনো কর্মী থানায় এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি।তিনি আরও দাবি করেন, জুলফিকারের কর্মী আরিয়ান খানের সঙ্গে যার বিরোধ হয়েছে, তিনি আগে ঢাকায় নাচ করতেন। আরিয়ান তার এক নারী সহকর্মীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করে গত পাঁচ মাস ধরে ব্ল্যাকমেইল করছিলেন। এ নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানান ওসি।ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘থানার ওসির প্রত্যাহার যে কেউ চাইতেই পারেন। সরকার যদি মনে করে আমাকে প্রত্যাহার করবে, সেটা সরকার করবে।’
Go to News Site