Collector
গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেবে কামানের গোলা সদৃশ বস্তু কিনে বিপাকে ব্যবসায়ী | Collector
গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেবে কামানের গোলা সদৃশ বস্তু কিনে বিপাকে ব্যবসায়ী
Somoy TV

গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেবে কামানের গোলা সদৃশ বস্তু কিনে বিপাকে ব্যবসায়ী

কক্সবাজারের ঈদগাঁও থেকে কামানের ৩টি গোলা সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিন্তু গোলা ৩টি এখনো নিষ্ক্রিয় করা হয়নি। যা নিয়ে বিপাকে ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিম।শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত জানান ঈদগাঁও থানার পরিদর্শক এটিএম শিফাতুল মাজদার। তিনি বলেন, ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার ভাঙারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিমের বাড়ি থেকে বস্তুগুলো উদ্ধার করা হয়। এদিকে কামানের গোলাগুলো দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছে উৎসুক জনতা। যা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ভাঙারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিম। নুরুল আজিম বলেন, “ভারুয়াখালী থেকে লোহা-লঙ্কার মতো কিছু পাইছিলাম। আমি মনে করছিলাম এটা গাড়ির পুরোনো পার্টস হবে, বড় কোনো গাড়ির অংশ। তাই আমি সেটা কিনে নিয়ে আসি। পরে বিক্রি করতে গেলে সেখানে তারা বলে এটা বোম, তারা এটা নেবে না। তখন আমারও সন্দেহ হয়। পরে আমি একটা ছালার বস্তায় ভরে বাড়িতে নিয়ে আসি। এলাকার কিছু লোকজন ও পরিবারকে দেখাই। তখন তারা দেখে বলে এটা বোমের মতো কিছু। এরপর আমি ভাবি, এটা এভাবে রাখা ঠিক না। তখনই আমি প্রশাসনকে জানাই এবং ৯৯৯-এ কল করি। কল করার পর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা নিরাপত্তার জন্য জায়গাটা ঘিরে রাখে এবং বলে এখানে কেউ যেন না যায়। পরে সেনাবাহিনীও আসে। তারা এসে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এবং নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করে। পরে বুঝা যায় এটা বিপজ্জনক বস্তু। আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ‘বার-বি-কিউ’ খেয়ে ৩০ পর্যটক হাসপাতালে ঈদগাঁও থানার পরিদর্শক এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, গত ১৮ মে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ দেন যে, তার বাড়িতে তিনটি কামানের গোলা সদৃশ্য বস্তু রয়েছে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুগুলো উদ্ধার করে। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি কামানের গোলা সদৃশ্য বস্তু দেখতে পাওয়া যায়। প্রতিটির দৈর্ঘ্য আনুমানিক ১২.৫ ইঞ্চি এবং ব্যাস প্রায় ১০ ইঞ্চি। বস্তুগুলোর উপরিভাগ সম্পূর্ণ মরিচাযুক্ত ও পুরনো মাটিতে আবৃত ছিল। এছাড়া কোনো ধরনের লেখা বা চিহ্ন স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিদর্শক এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, সংবাদদাতা নুরুল আজিম একজন ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী। তার কাছ থেকে জানা যায়, ভারুয়াখালী এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি একই দিন বিকেল ৫টার দিকে বস্তুগুলো ক্রয় করেন। পরে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বস্তু তিনটি কামানের গোলা। এগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আরও পড়ুন: হাম উপসর্গে কক্সবাজারে বাড়ছে রোগী, চাপে চিকিৎসক-নার্স এটিএম শিফাতুল মাজদার আরও বলেন, কামানের গোলাগুলো নুরুল আজিমের বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে। এগুলো গ্রাম পুলিশকে পাহারা দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। হয় তো আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।

Go to News Site