Collector
আলীকদমের পর থানচিতে বাড়ছে হাম-ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব | Collector
আলীকদমের পর থানচিতে বাড়ছে হাম-ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব
Jagonews24

আলীকদমের পর থানচিতে বাড়ছে হাম-ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব

বান্দরবানের আলীকদমের পর এবার থানচি উপজেলার দুর্গম লিক্রি এলাকায় হাম এবং রেমাক্রিতে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। মিয়ানমার সীমান্তবর্তী লিক্রি এলাকায় ইতোমধ্যে ৮৪ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে রেমাক্রী এলাকায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্গম ও নেটওয়ার্কবিহীন লিক্রি এলাকায় মূলত ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রান্তদের অনেকেই আলীকদমের কুরুকপাতা এলাকার হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। অন্যদিকে, সুপেয় পানির অভাবে রেমাক্রী এলাকার বাসিন্দারা জীবাণুযুক্ত নদীর পানি পান করায় শিশু থেকে বৃদ্ধরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। রেমাক্রি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুই শৈ থুই মারমা জানান, জুমচাষে আগাছা দমনে ব্যবহৃত বিষাক্ত ওষুধ বৃষ্টির পানির সঙ্গে ঝিরিতে মিশে যায়। পরে স্থানীয়রা সেই ঝিরির পানি পান করায় ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বর্তমানে দুর্গম এলাকায় ১৫ জনেরও বেশি ডায়রিয়া রোগী নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক মংসাচিং মারমা জানান, রেমাক্রী বাজারের ফার্মেসিগুলোতে কলেরা স্যালাইনের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বলেন, দুর্গম লিক্রি এলাকায় ৮৪ জন হামে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়ায় সেখানে জরুরি মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একই সঙ্গে রেমাক্রী এলাকায় ডায়রিয়া আক্রান্তদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইনসহ দ্রুত মেডিকেল টিম পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। নয়ন চক্রবর্তী/কেএইচকে

Go to News Site