Collector
ভিজিএফ চালে পোকা-পচা গন্ধ, ক্ষুব্ধ সুবিধাভোগীরা | Collector
ভিজিএফ চালে পোকা-পচা গন্ধ, ক্ষুব্ধ সুবিধাভোগীরা
Jagonews24

ভিজিএফ চালে পোকা-পচা গন্ধ, ক্ষুব্ধ সুবিধাভোগীরা

গাইবান্ধার সদর উপজেলার সরকারি ভিজিএফের আওতায় বিতরণ করা চালের মান নিয়ে গুরুত্বর অভিযোগ উঠছে। সুবিধাভোগীদের দাবি, বিতরণকৃত চাল ছিল পচা, পোকা ও দুর্গন্ধযুক্ত এবং খাওয়ার অনুপযোগী। ফলে ক্ষুব্ধ উপকারভোগীরা চাল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালেও তাদের নিতে বাধ্য করেন সংশ্লিষ্টরা। শনিবার (২৩ মে) উপজেলার গিদারি ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া বোয়ালী, লক্ষ্মীপুর ও কামারজানিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নেও একই ধরনের নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, চালের রঙ লালচে এবং এতে পোকা ও পচা গন্ধ রয়েছে। চালের মান অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় ক্ষুব্ধ উপকারভোগীরা তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালেও সংশ্লিষ্টরা চাল নিতে বাধ্য করেন। উপকারভোগী জরিনা বেগম বলেন, ‘যে চাউল পরিষদ দিছে তাক তো গরু ছাগলও খাবে না।’ আরেক ভুক্তভোগী সুমন মিয়া বলেন, ‘পঁচা চালের বিষয়ে সচিবের কাছে বদল করে দেওয়ার কথা বললে তিনি ধমক দিয়ে বলেন, নিলে নেও, না নিয়ে থুয়ে যাও।’ গিদারি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ ঈদু বলেন, ইউনিয়নের দুই জায়গায় চাল বিতরণ করা হয়েছে। আমি যেখানে উপস্থিত ছিলাম, সেখানে চালের মান ভালো ছিল। ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণের সময় সচিব উপস্থিত ছিলেন, ওখানকার বিষয়ে আমি জানি না। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. ইফতেখার বলেন, ভিজিএফের দুই-চারটা বস্তা এরকম থাকবেই। বিষয়টি নিয়ে গাইবান্ধা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এরকম সমস্যা হতেই পারে। গুদামে যা ছিল তাই দেওয়া হয়েছে। গুদামে দীর্ঘদিন চাল থাকলে সামান্য ড্যাম হবেই। এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, সরেজমিনে গিয়ে চালের মান যাচাই করা হবে। নিম্নমানের চাল বিতরণের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আনোয়ার আল শামীম/কেএইচকে

Go to News Site