Somoy TV
ঈদযাত্রায় নদীপথে বাড়তি চাপ সামাল দিতে এবার শতাধিক অতিরিক্ত লঞ্চ প্রস্তুত রেখেছে বিআইডব্লিউটিএ। যাত্রী বাড়াতে কেবিন ভাড়ায় দেয়া হচ্ছে ছাড়। দুর্ঘটনা এড়াতে পন্টুনের আশপাশে নৌকা চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।ঈদে বাড়ি ফেরায় লাখো মানুষকে সেবা দিতে প্রস্তুত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল। চলছে শেষ মুহূর্তের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। বন্ধ থাকা কয়েকটি নৌরুট চালুর পাশাপাশি বাড়তি লঞ্চও যুক্ত করা হচ্ছে। যাত্রীদের আকৃষ্ট করতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম দামে কেবিন ভাড়া দিচ্ছেন লঞ্চ মালিকরা। লঞ্চ মালিকরা জানান, একটি সিঙ্গেল কেবিনের সরকারি ভাড়া ১ হাজার ৭১৬ টাকা হলেও তারা নিচ্ছেন ১ হাজার ২০০ টাকা। তবে ২৫ ও ২৬ তারিখে যাত্রীর চাপ কিছুটা বেশি থাকবে বলে ধারণা তাদের। আরও পড়ুন: নদীপথে ঈদযাত্রা, ঘাটছাড়া ওঠা যাবে না লঞ্চে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পন্টুনের চারপাশ থেকে এরই মধ্যে নৌকা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এবার লঞ্চের পেছন দিক দিয়ে নৌকায় যাত্রী ওঠানামাও বন্ধ রাখবে নৌ পুলিশ। নৌ-পুলিশ ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পন্টুনের সামনে যাতে কোনো নৌকা ঢুকতে না পারে, সে জন্য ১ থেকে ২৫ নম্বর পন্টুন পর্যন্ত নদীপথে চারটি টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। পন্টুন ১ এবং ২৫ নম্বর এলাকায় বিশেষ নজরদারি থাকবে, যাতে কোনো নৌকা টহল ভেদ করে প্রবেশ করতে না পারে। এছাড়া সদরঘাট এলাকায় হকারমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, ফ্রি কুলি সেবা চালু, ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন বলেন, কোনো লঞ্চ নির্ধারিত সময়ের আগেই যাত্রী পূর্ণ হলে তা ছেড়ে দেয়া হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত স্পেশাল লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হবে। দুর্ঘটনামুক্ত ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতেই সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনো লঞ্চ চলাচল করতে দেয়া হবে না। পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথে যাত্রী কিছুটা কমলেও ঈদকে সামনে রেখে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাধারণ সময়ে সদরঘাট দিয়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫টি লঞ্চ চলাচল করলেও এবার ঈদযাত্রার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১৭২টি লঞ্চ।
Go to News Site