Collector
‘ঈদযাত্রায় ঝুঁকি ৯৪টি স্থানে’, ‘সমন্বয়হীনতায় কমছে না হামের প্রকোপ’ | Collector
‘ঈদযাত্রায় ঝুঁকি ৯৪টি স্থানে’, ‘সমন্বয়হীনতায় কমছে না হামের প্রকোপ’
Somoy TV

‘ঈদযাত্রায় ঝুঁকি ৯৪টি স্থানে’, ‘সমন্বয়হীনতায় কমছে না হামের প্রকোপ’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় রোববার (২৪ মে) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। ভয়ংকর অপরাধের পেছনে মাদকাসক্তি - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বনাশা মাদকের থাবায় বাড়ছে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য। বেপরোয়া কিশোর গ্যাং। বখাটেদের উৎপাতও সীমাহীন। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নৃশংস খুন ও ধর্ষণের মতো পৈশাচিকতা। যার সর্বশেষ শিকার পল্লবীর হতভাগ্য স্কুলছাত্রী রামিসা। বেশ কয়েক বছর আগে যার শুরুটা হয়েছিল সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর হাত ধরে। পরবর্তী সময়ে আরেক রসু খাঁরূপী সাভারের সেই নরপিশাচ সম্রাট। এসব ভয়ংকর অপরাধীর অন্যতম পরিচয় ‘মাদকসেবী।’ মাদকাসক্ত হয়ে তারা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য। চেহারা মানুষের মতো হলেও তাদের সব কর্মকাণ্ড চলে পশুর মতো। এভাবে মাদকের সর্বগ্রাসী বিস্তারে তছনছ বহু সাজানো সংসার। পরিবার থেকে সামাজিক জীবন ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে। অভিযান-গ্রেফতার/ জামিনে বের হয়ে ফের জড়াচ্ছে অপরাধে- দৈনিক মানবজমিনের শেষ পাতার খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একের পর এক অভিযান, মামলা, গ্রেফতার- কোনো কিছুতে থামানো যাচ্ছে না অপরাধীদের। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে- একই ব্যক্তি বারবার গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে আবার জড়িয়ে পড়ছে পুরনো অপরাধে। আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্রেফতারের পর জামিনে বের হয়ে অপরাধীরা আবারো একই অপরাধে জড়াচ্ছে। ছিনতাই, মাদক ও চুরি মামলায় গ্রেফতার হওয়া অনেকের বিরুদ্ধেই আগে একাধিক মামলা রয়েছে। জামিনে বের হওয়া অপরাধীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হুমকি এবং অস্ত্রের মহড়া দেয়ার মতো অভিযোগ পাওয়া যায়। জামিনে বের হওয়ার পর অধিকাংশ অপরাধী তাদের আগের চক্রে ফিরে যায়। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এসব অপরাধীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে অনেকেই জামিন পেয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জামিনে বের হয়ে অপরাধী চক্রের পুনরায় সক্রিয় হওয়া দেশে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা। সম্প্রতি অপরাধীদের বিরুদ্ধে মহানগরীতে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া চক্রসহ বিভিন্ন অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সকল কর্ম-পরিকল্পনা সাজিয়ে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মাদক অধিদপ্তর ও যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে সকল মেট্রোপলিটন এলাকায় চলছে বিশেষ এ অভিযান। মাদক ব্যবসার মূল রুটগুলোতে রয়েছে কড়া নজরদারি। সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায় দেশ জুড়ে মাদক, অবৈধ জুয়া ও নানাবিধ অপরাধের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ডিবি’র সাদা পোশাকের সদস্য, সাইবার মনিটরিং টিম এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধীদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। সমন্বয়হীনতায় কমছে না হামের প্রকোপ - দৈনিক সমকালের প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৬৯ দিনে ৫০০ ছাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিলেন, চলতি মাসের শেষ দিকে সংক্রমণের হার কিছুটা কমে আসতে পারে। তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে সেই লক্ষণ এখনও স্পষ্ট নয়। বরং সমন্বিত উদ্যোগের ঘাটতি ও কার্যকর সমন্বয়ের অভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিলম্ব হচ্ছে। তাদের মতে, শুরু থেকেই রোগ নিয়ন্ত্রণে আরও দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়া গেলে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হতো। টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি এবং দ্রুত শনাক্তকরণ ব্যবস্থার ঘাটতি বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে মানুষের ব্যাপক চলাচল সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে। গ্রাম ও শহরের মধ্যে যাতায়াত ও জনসমাগম বাড়লে ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখনই সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। চাঙ্গা লেনদেনেও বিপন্ন চামড়া খাত - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। এই ঈদ ঘিরে এখন চাঙ্গা উৎসবের অর্থনীতি। ধারণা করা হচ্ছে, এই উৎসব ঘিরে লেনদেন হচ্ছে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। কিন্তু ঈদ ঘিরে কমবেশি সব পণ্যের বেচাকেনায় বেশ সুবাতাস বয়ে গেলেও বরাবরের মতো ম্লান, বিপন্ন অবস্থার মুখে পড়ে চামড়া খাত। চামড়াজাত পণ্যের দামও বেড়েছে কয়েক গুণ; কিন্তু চামড়ার দাম বাড়ে না। এটিও একক খাত হিসেবে সম্ভাবনাময় থাকলেও প্রতিবছরই এ খাতে হাহাকার পড়ে যায়। ফলে ঈদ উৎসব ঘিরে বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হলেও শুধু চামড়া খাত সমানভাবে এগিয়ে যেতে না পারায় এই লেনদেন ও অর্থনৈতিক চাঙ্গাভাবের সুফল প্রতিফলিত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া যায়। জানা যায়, বরাবরের মতো এবারও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশের অর্থনীতিতে শুরু হয়েছে বিশাল এক মৌসুমি অর্থচক্র। কোরবানির পশু পালন, হাট ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, পশুখাদ্য, চামড়াশিল্প, অনলাইন বেচাকেনা, মোবাইল ব্যাংকিং থেকে শুরু করে মসলা ও রান্নাবান্নার উপকরণ-সব মিলিয়ে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় এই উৎসব ঘিরে। ঈদযাত্রায় ঝুঁকি ৯৪টি স্থানে, বৃষ্টি–দুর্ঘটনায় দুর্ভোগের শঙ্কা - দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ঈদ উদ্‌যাপনে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার। তবে এখনো মূল চাপ বাকি আছে। রেল ও পরিবহন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ঘরমুখী মানুষের মূল ভিড় হবে আগামী সোম থেকে বুধবার-এই তিন দিন। একদিকে ঢাকা থেকে মানুষ ছুটবে বাড়ির পথে আর ঢাকার পথে আসতে থাকবে কোরবানির পশু। এবার দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোর অবস্থা মোটামুটি ভালো বলা যায়। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-উত্তরবঙ্গের পথে জটের আশঙ্কা আছে। ইতিমধ্যে হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের ৯৪টি স্থান চিহ্নিত করেছে, যেসব স্থানে যানজট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Go to News Site