Collector
শাহজালাল বিমানবন্দরের গেটে বেওয়ারিশ কুকুর, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! | Collector
শাহজালাল বিমানবন্দরের গেটে বেওয়ারিশ কুকুর, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন!
Somoy TV

শাহজালাল বিমানবন্দরের গেটে বেওয়ারিশ কুকুর, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন!

নিরাপত্তারক্ষীদের সামনেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের প্রবেশ গেটে অবস্থান করছে একাধিক বেওয়ারিশ কুকুর। এমন দৃশ্য যাত্রী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। অনেকের মতে, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক বিমান যাত্রা নিশ্চিত করতে এখনো পিছিয়ে রয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক জানিয়েছেন, কুকুর সরানোর জন্য আলাদা কোনো জনবল নেই। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে চিঠিও দেয়া হয়েছে।সরেজমিনে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে দেখা গেছে, যাত্রী প্রবেশ গেটের ঠিক পাশে এবং নিরাপত্তাকর্মীদের সামনেই বসে আছে দুটি মাঝারি আকারের বেওয়ারিশ কুকুর। যে কোনো সময় অসতর্কতার কারণে কুকুরগুলো টার্মিনালের ভেতরে ঢুকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। আবার ট্রলি বা মানুষের চলাচলের সময় ভয় পেয়ে কাউকে কামড়ও দিতে পারে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের তেমন কোনো নজরদারি দেখা যায়নি। সম্প্রতি বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশেই এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। একজন যাত্রী বলেন, গেটের মধ্যে কুকুর থাকাটা খুবই অস্বস্তিকর। নিজেও ঠিকভাবে দাঁড়াতে পারছিলাম না। কুকুরগুলো এসে কাছে দাঁড়িয়ে থাকছে। আর অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার যে অবস্থা, সেটা তো সবাই জানে। আরও পড়ুন: ১৬ ডিসেম্বর চালু হবে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল: তথ্যমন্ত্রী অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন বিমানবাহিনী, পুলিশ, এপিবিএন, আনসারসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। তবে স্পর্শকাতর এই এলাকায় কুকুরের উপস্থিতি যাত্রীদের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেললেও নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে তেমন গুরুত্ব দেখা যায়নি। এ বিষয়ে এক এপিবিএন সদস্যের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। পরে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানান, নিরাপত্তাকর্মীরা মূলত যাত্রী তদারকিতেই ব্যস্ত থাকেন। কুকুর সরানোর জন্য আলাদা কোনো কর্মী নিয়োজিত নেই। তবে বিষয়টি জানিয়ে সিটি করপোরেশনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওয়াইল্ড লাইফ নিয়ে আমরা সিটি করপোরেশনকে জানিয়েছি। এসব প্রাণী তো এখানে থাকার কথা না। গেটের দায়িত্বে যারা থাকেন, তারা মূলত মানুষজন চেক করতেই ব্যস্ত থাকেন। কুকুর সরানোর জন্য আলাদা কোনো জনবলও নেই।’ নিরাপত্তারক্ষীদের এমন উদাসীনতায় বিমানবন্দরের ভেতরে সাধারণ মানুষের অবাধ প্রবেশের পাশাপাশি কুকুরের উপস্থিতিও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। যাত্রীদের অনেকেই বলছেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা না হলে আতঙ্ক আরও বাড়বে।

Go to News Site