Somoy TV
ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ লভ্যাংশ ঘোষণায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের (পেইড-আপ ক্যাপিটাল) পরিমাণ ২ হাজার কোটি টাকার কম, সেসব ব্যাংক কোনো ধরনের নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না। পাশাপাশি নগদ লভ্যাংশ দেয়ার যোগ্য ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি পলিসি অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন ডিপার্টমেন্ট (এসপিসিডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, দেশের ব্যাংক খাতের সার্বিক অবস্থা, আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা এবং শেয়ারহোল্ডারদের রিটার্ন বিবেচনায় নিয়ে ডিওএস সার্কুলার নং-০১/২০২৫-এর মাধ্যমে লভ্যাংশ বিতরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হয়েছে। ওই সার্কুলারের ২(ক) অনুচ্ছেদে ব্যাংকগুলোর জন্য লভ্যাংশ দেয়ার ক্ষেত্রে যেসব শর্ত অবশ্যই মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে। আর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফারসহ ন্যূনতম মূলধন সংরক্ষণ অনুপাত অনুযায়ী নগদ ও স্টক লভ্যাংশের সীমা এবং সর্বোচ্চ ডিভিডেন্ড পেআউট রেশিও নির্ধারণ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: ঈদে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখাসহ লেনদেন স্বাভাবিক রাখতে নতুন নির্দেশনা বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নতুন করে কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো- যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম, তারা কোনোভাবেই নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না এবং সব শর্ত পূরণ করে যারা নগদ লভ্যাংশ দিতে সক্ষম, তারা মোট ঘোষিত লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ আকারে দিতে পারবে। এই নির্দেশনা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছর এবং পরবর্তী বছরগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। ১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে জারি করা ডিওএস সার্কুলার নং-১ এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সার্কুলারের সব নির্দেশনা আগের মতোই বহাল থাকবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। যা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
Go to News Site