Collector
কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা রাশিয়ার | Collector
কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা রাশিয়ার
Somoy TV

কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা রাশিয়ার

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। হামলায় আবাসিক ভবন, স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (২৪ মে) স্থানীয় সময় রাত ১টার পরপরই ইউক্রেনের রাজধানীজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী টেলিগ্রামে সম্ভাব্য ওরেশনিক হামলার সতর্কতা দেয়ার পরপরই এই হামলা শুরু হয়। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেন, রাজধানীর কেন্দ্রীয় শেভচেঙ্কো জেলায় নয়তলা একটি আবাসিক ভবনে হামলার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা কাজ করছেন। তিনি আরও জানান, একই এলাকায় একটি স্কুলের ভেতরে থাকা বিমান হামলা আশ্রয়কেন্দ্রের প্রবেশপথ ধ্বংসস্তূপে আটকে যাওয়ায় কয়েকজন সেখানে আটকা পড়েছেন। এছাড়া শেভচেঙ্কো এলাকার একটি ব্যবসাকেন্দ্রের আশ্রয়কেন্দ্রেও আরও কয়েকজন আটকে আছেন বলে জানিয়েছেন শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান। আরও পড়ুন: সময় রাশিয়ার অনুকূলে নেই, যুদ্ধক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি পুতিনের চাপ বাড়াচ্ছে: ইউরোপীয় কর্মকর্তা শহরের সামরিক প্রশাসনের তথ্যমতে, রাতভর চালানো এ হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে বৃহত্তর কিয়েভ অঞ্চলে আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গভর্নর মাইকোলা কালাশনিক। হামলায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, শহরের কেন্দ্রস্থলের একটি স্কুল প্রাঙ্গণে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে আগুন ধরে যায়। আরও পড়ুন: রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় ৩ রেলকর্মী নিহত, ইউক্রেনে পাল্টা হামলা এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়া ‘ওরেশনিক’ নামের মধ্যম-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় সমন্বিত হামলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আহ্বানও জানান তিনি। এদিকে, এস্তোনিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কাউপো রোসিন সিএনএনকে বলেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন হয়তো আর শক্ত অবস্থান থেকে আলোচনায় বসতে পারবেন না। তার দাবি, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার অগ্রগতি থেমে গেছে এবং সেনা হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। পশ্চিমা হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার রুশ সেনা নিহত হচ্ছে।

Go to News Site