Collector
বিনোদন পার্কে চেকপোস্ট, ৩২ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ | Collector
বিনোদন পার্কে চেকপোস্ট, ৩২ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩
Somoy TV

বিনোদন পার্কে চেকপোস্ট, ৩২ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩

কক্সবাজারের রামুতে বিনোদন পার্কের সামনে চেকপোস্ট স্থাপন করে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫।শনিবার (২৩ মে) সকালে ও দুপুরে রামু উপজেলার অ্যামিউজমেন্ট পার্কের’ সামনে এ অভিযান চালানো হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং গ্রামের মহোসিনের ছেলে মোজ্জামেল হক (৪৭), রামু উপজেলার ধয়াপালং এলাকার সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়া উপজেলার মরিচা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।কক্সবাজারস্থ র‌্যাব ১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক বলেন, মাদকের একটি বড় চালান পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে রামুর ‘অ্যামিউজমেন্ট পার্কের’ সামনের কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উপর বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে এবং সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। র‌্যাবের তল্লাশিতে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেয় হয়। এ সময় র‌্যাবের সংকেত উপেক্ষা করে চালক কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে সিএনজিসহ চালক মোজ্জামেল হককে আটক করা হয়। পরে তার দেখানো মতে সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ২০ হাজার ইয়াবা। একই সাথে মাদক বহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।অন্যদিকে দুপুরে একই চেকপোস্টে আরেকটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামানো হয়। সিএনজিতে থাকা দুই নারী যাত্রীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নারী র‌্যাব সদস্যদের সহায়তায় তাদের দেহ ও সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তাদের ব্যাগের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৬টি বান্ডেল থেকে আরও ১২ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।আরও পড়ুন: নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ ৯ রোহিঙ্গা আটকর‌্যাব-১৫ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান সংগ্রহ করে আসছিল। পরবর্তীতে রামু, উখিয়া, চকরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা এই মাদক পাচার ও বেচাকেনা করতো। উদ্ধারকৃত ৩২ হাজার ইয়াবাসহ জব্দকৃত আলামত এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।কক্সবাজারস্থ র‌্যাব ১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এবং সীমান্ত জেলাকে মাদকমুক্ত করতে তাদের এই ধরণের কঠোর ও ঝটিকা অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Go to News Site