Collector
Giriş Yap
ঈদ পরবর্তী খুলনার বাজারে মাছের দাম চড়া | Collector
ঈদ পরবর্তী খুলনার বাজারে মাছের দাম চড়া

ঈদ পরবর্তী খুলনার বাজারে মাছের দাম চড়া

খুলনার বাজারে সবজি ও মুরগির দামে স্বস্তি থাকলেও ঈদ পরবর্তী সপ্তাহে বেশ চড়া হয়ে উঠেছে মাছের বাজার। পাইকারি বাজারে সরবরাহ সংকট এবং খুচরা বাজারে ক্রেতা কমে যাওয়ায় মাছের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি খুচরা বিক্রেতাদের। রোববার (৭ জুন) সকালে খুলনার মিস্ত্রিপাড়া বাজার, নিউমার্কেট বাজার ও নতুন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাছের মধ্যে রুই ২৫০-২৮০, কাতল ২৪০-২৫০, ভেটকি ৪০০-৪৫০, পাবদা ৩৫০-৪০০, ছোট চিংড়ি ৬০০- ৮০০, টেংরা ৫০০-৭০০ এবং টাকি ২২০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ও পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। এসব মাছের দাম গত সপ্তাহেও কেজিতে ৫০-৮০ টাকা কম ছিল। অন্যদিকে বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৪০-৫০, পটোল ৪০-৫০, কুশি ৬০, ঢ্যাঁড়স ৩০, কাঁচামরিচ ৮০-১০০, শসা ৬০ এবং পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। অন্যদিকে আলু ২৫, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ এবং রসুন ৭০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৬৫-১৮০, সোনালি ২৯০-৩০০ এবং লেয়ার মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন বাজারের মাছ বিক্রেতা সাজ্জাদ শেখ বলেন, ঈদের পর মাছের বাজারে ক্রেতা কমে গেছে। অনেক ব্যবসায়ী বড় মাছ উঠিয়ে চালান বাঁচাতে পারেননি। পাইকারি বাজারেও মাছের সংকট থাকায় দাম কিছুটা বেশি। তবে মাছের বিক্রি বৃদ্ধি পেলে আর সংকট কমলে দাম অনেকটা কমে যাবে। অপর এক মাছ বিক্রেতা আনছার গাজী বলেন, এই সময়ে চিংড়ি মাছের বিক্রি বেড়েছে। অন্যান্য বড় মাছ বিক্রি একদম কমে গেছে। গরমে মাছ এনে বিক্রি না হওয়ায় নষ্ট হওয়ার কারণে অনেক ব্যবসায়ীর ক্ষতি হয়েছে। নতুন বাজারের সবজি ব্যবসায়ী এনামুল বলেন, ঈদের পর বাজার একেবারে ক্রেতাশূন্য ছিল। এখন বাজারে ক্রেতা বাড়ছে। সবজির দাম আগের মতোই কম আছে। কাঁচামরিচের কেজি কমে ১০০-১২০ টাকায় নেমেছে আর ১০ টাকা পিচ লেবুর দাম ২ টাকায় নেমেছে। অন্যান্য সবজির দামও কম আছে। নতুন বাজারে আসা ক্রেতা ফরহাদ হোসেন সজিব বলেন, কিছু সবজি ও নিরামিষ রান্নার জন্য চিংড়ি মাছ কিনতে এসেছি। চিংড়ি মাছের দাম আগের মতো আছে। কিন্তু মাছের বাজার একেবারে মাছ শূন্য। তবে দেশি মাছের অনেক দাম। দাম একটু কমলে ভালো হতো। অপর ক্রেতা সাহিদুর কাজী বলেন, ঈদের আগে থেকেই মাছের দাম বাড়তি। সামুদ্রিক মাছ দিয়ে শুরু করে সব মাছের দামই বাড়তি। চিংড়ি মাছের কেজি ৪০০ টাকা থেকে এখন ৬০০ টাকা। ভালো বড় মাছের কেজি ২৫০ টাকার নিচে নেই। তবে সবজির দাম তুলনামূলক কম আছে। আরিফুর রহমান/এফএ/জেআইএম

Go to News Site