Collector
Giriş Yap
‘প্রকাশ্যে গুলি-ছিনতাই চলছেই’, ‘নকল ওষুধের ছড়াছড়ি’ | Collector
‘প্রকাশ্যে গুলি-ছিনতাই চলছেই’, ‘নকল ওষুধের ছড়াছড়ি’

‘প্রকাশ্যে গুলি-ছিনতাই চলছেই’, ‘নকল ওষুধের ছড়াছড়ি’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। সীমান্তে পুশইন নিয়ে অস্থিরতা - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত জেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের একের পর এক পুশইন চেষ্টায় সীমান্ত এলাকায় এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি বিএসএফের এই তৎপরতা রুখে দিচ্ছে। বিএসএফের পুশইন চেষ্টার কারণে সীমান্তে টহল জোরদার করেছে বিজিবি। একইসঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে। বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, দেশের ২৬ জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পুশইনের চেষ্টা হতে পারে- এমন আশঙ্কা থেকে যশোর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, ফেনী, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, কুমিল্লা, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও শেরপুর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এসব জেলার সীমান্তে সাধারণ মানুষও সতর্ক পাহারায় রয়েছেন।প্রকাশ্যে গুলি-ছিনতাই চলছেই - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়কে প্রকাশ্যে এমন অনেক ঘটনা ঘটছে। ছিনতাইকারীর গুলি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা এখন শুধু সন্ধ্যা বা রাতে ঘটছে না, দিনের বেলাও এ ধরনের ভয়ংকর ঘটনা ঘটছে। আতঙ্কে থাকছে নগরবাসী। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য বলছে, গত এক মাসে রাজধানীর আটটি ক্রাইম জোন থেকে ৯৭১ জন ছিনতাইকারীসহ ডাকাত ও দস্যুদের গ্রেফতার করা হয়। তার পরও পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় খোদ পুলিশের টহল নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আবার ঘটনাস্থলের আশপাশে থানা পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্বে থাকলেও তারা ছিনতাইকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে ধরতে পারছে না।আড়াই লাখ পুলিশ সদস্যের ৯০ শতাংশেরই নেই আবাসন সুবিধা - দৈনিক বণিকবার্তায় প্রকাশিত খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেড় দশকের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা। করা হয়েছে নতুন ছয়টি ইউনিট। কিন্তু সে তুলনায় বাড়ানো হয়নি আবাসন, যানবাহনসহ অন্যান্য সুবিধা। বর্তমানে আড়াই লাখ সদস্যের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে আবাসন সুবিধা পান কেবল ১০ শতাংশের মতো। বাকি ৯০ শতাংশ পুলিশ সদস্যকেই বাসস্থানের মৌলিক চাহিদা মেটাতে হয় ভাড়া বাসায় থেকে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবাসনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তৈরি না করেই সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর ফলে একদিকে যেমন বাহিনীর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে নৈতিকতার চর্চাও কঠিন হয়ে পড়েছে। মূলত নিয়োগ কার্যক্রমকে ঘিরে রাজনৈতিক নেতাদের বিত্তবান হয়ে ওঠার কৌশল হিসেবেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না বাড়িয়ে পুলিশে পদ সৃজন করা হয় বলে মনে করেন তারা। এখনো ছন্দে ফেরেনি পুলিশ - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বড় ধরনের প্রতিরোধের মুখে পড়েছিল পুলিশবাহিনী। জনরোষ ও হামলার শিকার হয়ে এ বাহিনীর শীর্ষ কর্তাসহ অনেকেই তখন আত্মগোপনে চলে যান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেতৃত্বে পরিবর্তন এনে ঢেলে সাজানো হয় পুলিশবাহিনীকে। চলতি বছর বিএনপি সরকার গঠন করার পর পুলিশের নেতৃত্বে আরেক দফা পরিবর্তন আসে। দ্বিতীয় দফায় পুলিশকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে এসব উদ্যোগের পরও পুলিশের মনোবল এখনো পুরোপুরি চাঙা হয়নি। আলোচনা আছে, ৫ আগস্টের ট্রমা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি পুলিশ। সরকারের অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও ফেরেনি পূর্ণ মনোবলও। একসময় পুলিশকে দেখলে অপরাধীরা দৌড়ে পালাত। অথচ এখন সেই পুলিশই বিভিন্ন জায়গায় হামলার শিকার হচ্ছে।নকল ওষুধের ছড়াছড়ি - দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পাতায় প্রকাশিত খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ দেদারছে নকল হচ্ছে। অবাধে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। এসব ওষুধ সেবন করে আরো অসুস্থ হচ্ছে রোগীরা। অনেকে মারা যাচ্ছে। কিন্তু জীবননাশকারী এসব ওষুধের উৎপাদন ও বাজারজাত নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না প্রশাসন। সম্প্রতি র‌্যাবের মোবাইল কোর্ট রাজধানীর উত্তরা, গুলশান, নয়াবাজার, শ্যামপুর, কদমতলী ও কেরানীগঞ্জের আটিবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ও ভেজাল ওষুধসামগ্রী উদ্ধার করেছে। র‌্যাবের (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং) পরিচালক উইং কমান্ডার এ জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, অভিযানে বিপুল নকল ও ভেজাল ওষুধসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরে সকল ওষুধ ও তৈরির যন্ত্রাংশ ধ্বংস করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে জেল ও জরিমানা করেছে মোবাইল কোর্ট।বাজেটের অর্থায়নই বড় চ্যালেঞ্জ - দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন নির্বাচিত সরকার আগামী বৃহস্পতিবার জাতীয় বাজেট দিতে যাচ্ছে। প্রথম বাজেটেই বিএনপি সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এ কারণে আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বড় বাজেট ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। তবে অর্থের সংস্থানকে বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব এক পর্যালোচনায় আরও কিছু চ্যালেঞ্জের উল্লেখ করা হয়েছে। আগের বছরের চেয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাত হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সেই হিসাবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি হতে যাচ্ছে। এর আগে সাধারণত বাজেটের আকার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ানো হতো। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার দ্রুত বাস্তবায়নের চাপ থেকেই বাজেটের আকার বড় হচ্ছে।ওষুধের বিজ্ঞাপনের ছয় হাজার কোটি টাকা ডাক্তারের পকেটে - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতায় প্রকাশিত খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেলিভিশনের পর্দায় ওষুধের বিজ্ঞাপন চলছে। উপকারিতার আকর্ষণীয় বর্ণনার সঙ্গে দ্রুতগতিতে উচ্চারিত হচ্ছে সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার দীর্ঘ তালিকা। যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের কাছে এ দৃশ্য অতিপরিচিত। কিন্তু বাংলাদেশে এমন দৃশ্য একেবারেই অকল্পনীয়। এখানে প্রেসক্রিপশনভিত্তিক ওষুধের সরাসরি গণমাধ্যম বিজ্ঞাপন কার্যত নিষিদ্ধ। রোগীরা ওষুধ সম্পর্কে জানার প্রধান উৎস হিসেবে নির্ভর করেন চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট অথবা অসংগঠিত ইন্টারনেট সূত্রের ওপর। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা কি সত্যিই জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় অপরিহার্য, নাকি রোগীর তথ্য জানার মৌলিক অধিকার খর্ব করছে, যার চূড়ান্ত মূল্য দিতে হচ্ছে তাদের? দেশের প্রায় শতভাগ চাহিদা পূরণ নয়, বৈশ্বিক বাজারেও বাংলাদেশের ওষুধের সুনাম পড়ছে। কিন্তু এই দ্রুত প্রসারণশীল খাতটির ভিত ফেটে পড়ছে অনৈতিক চর্চায়। বিজ্ঞাপনে নিষেধাজ্ঞার অজুহাতে ওষুধ কম্পানিগুলো বেছে নিয়েছে বিকল্প পথ। গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া না গেলে তারা পুরোদমে ঝুঁকেছে ‘মাঠপর্যায়ের বিপণনে’, যার প্রধান লক্ষ্য চিকিৎসক।

Go to News Site