Jagonews24
বাংলাদেশে অস্বাভাবিক মৃত্যু (Unnatural Death) একটি ক্রমবর্ধমান সামাজিক উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যু বলতে সাধারণত সড়ক দুর্ঘটনা, হত্যা, আত্মহত্যা, রাজনৈতিক সহিংসতা, কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড, বজ্রপাত এবং ডুবে মৃত্যুকে বোঝায়। যদিও এ বিষয়ে কোনো সমন্বিত জাতীয় ডাটাবেজ নেই, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সংবাদমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করলে একটি উদ্বেগজনক চিত্র সামনে আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর বড় একটি অংশ ঘটছে কিশোর, তরুণ ও যুব সমাজের মধ্যে। অর্থাৎ যে বয়সের মানুষ একটি জাতির ভবিষ্যৎ, উৎপাদনশীল শক্তি এবং নেতৃত্বের সম্ভাবনা বহন করে, সেই বয়সের মানুষই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। উৎস- বাংলাদেশে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সবচেয়ে বড় তিনটি উৎস হলো সড়ক দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা এবং সহিংসতা বা হত্যাকাণ্ড। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ এসব কারণে প্রাণ হারাচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনা একাই বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণায় এমনও দাবি করা হয়েছে যে সরকারি হিসাবের তুলনায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনাও একটি নীরব সংকট। নির্মাণখাত, পরিবহন, কারখানা, জাহাজভাঙা শিল্প এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট দুর্ঘটনায় প্রতিবছর বহু শ্রমিক প্রাণ হারাচ্ছেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা, পারিবারিক হত্যাকাণ্ড, মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধ, অগ্নিকাণ্ড এবং অন্যান্য দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। কিন্তু সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এসব মৃত্যুর একটি বড় অংশই ঘটছে কমবয়সীদের মধ্যে। পরিসংখ্যান- মার্চ–মে ২০২৬ সময়কালে বিভিন্ন পত্রিকা, মানবাধিকার সংস্থা ও পর্যবেক্ষণ রিপোর্টে প্রকাশিত অস্বাভাবিক মৃত্যুর একটি সংকলিত চিত্র দেয়া হলো। ১) সড়ক দুর্ঘটনা- মার্চ ২০২৬-এ ৫৭৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন নিহত এবং ২,২২১ জন আহত হন। এপ্রিলে ৫২৭টি দুর্ঘটনায় ৫১০ জন নিহত হন। ঈদযাত্রাকেন্দ্রিক আলাদা প্রতিবেদনে মার্চের দ্বিতীয়ার্ধে ৩৫১ জন নিহত হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়। শুধু মার্চ–এপ্রিল দুই মাসেই সড়কে অন্তত ১,০৪২ জন নিহত হয়েছেন। ২) হত্যা- পুলিশ তথ্য অনুযায়ী মার্চে ৩১৭টি হত্যা মামলা এবং এপ্রিলে ২৮৮টি হত্যা মামলা হয়। ৩) রাজনৈতিক সহিংসতায় মার্চে ১৪ জন, এপ্রিলে ৩ জন, মে মাসে ৩ জন নিহত হন। এছাড়া মে মাসে বিভিন্ন সন্ত্রাস, জমি বিরোধ, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ধর্ষণচেষ্টা ও সংঘর্ষে ৩২ জন নিহত হয়। ৪) নারী ও শিশু- মানবাধিকার পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে মার্চে ৭৩ জন নারী ও শিশু খুন হয়েছে এবং এপ্রিলে সংখ্যা বেড়ে ৮৯ জনে পৌঁছায়। ৫) অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার- মে ২০২৬-এ ৫৩টি অজ্ঞাতনামা মরদেহ এবং এপ্রিলে ৫৬টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার হয়েছে। স্বল্প সময়ের এই ভয়াবহ পরিসংখ্যানটি দেশের নাগরিক নিরাপত্তার পরিস্থিতি উদ্বেগ সৃষ্টি করবে। ভিক্টিম- আত্মহত্যার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। বিভিন্ন গবেষণা ও জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে আত্মহত্যার উল্লেখযোগ্য অংশ ১৩ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ঘটে। ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর পরিচালিত একাধিক জরিপে দেখা গেছে, আত্মহত্যাকারীদের বড় অংশই কিশোর-কিশোরী এবং তরুণ। অন্যদিকে হত্যা ও সহিংসতার ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি জড়িত অথবা এর শিকার। রাজনৈতিক সংঘাত, আধিপত্য বিস্তার, গ্যাং সংস্কৃতি, ব্যক্তিগত বিরোধ, জমিজমা সংক্রান্ত সংঘাত, মাদক এবং সামাজিক অস্থিরতার প্রধান বোঝা বহন করছে এই বয়সের মানুষই। ফলে দেশের সবচেয়ে কর্মক্ষম ও সম্ভাবনাময় জনগোষ্ঠীই সবচেয়ে বেশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ- প্রশ্ন হলো, কেন কম বয়সীদের মধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা এবং সহিংসতার প্রবণতা বেশি? প্রথম কারণ হলো মানসিক চাপের বৃদ্ধি। বর্তমান প্রজন্ম এমন এক পরিবেশে বেড়ে উঠছে যেখানে প্রতিযোগিতা, প্রত্যাশা এবং তুলনা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। ভালো ফলাফল করতে হবে, ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে, ভালো চাকরি পেতে হবে এবং সামাজিকভাবে সফল হতে হবে—এই চাপ অনেকের জন্য অসহনীয় হয়ে উঠছে। ফলে ব্যর্থতা, প্রত্যাখ্যান, সম্পর্ক ভাঙন, চাকরির অনিশ্চয়তা কিংবা সামাজিক অপমান অনেকের কাছে জীবন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সমান মনে হয়। দ্বিতীয়ত, পরিবার থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে আবেগীয় নিরাপত্তার অভাব দেখা যাচ্ছে। অনেক পরিবারে সন্তানকে বোঝার চেয়ে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা বেশি। তার অনুভূতি, দুঃখ, উদ্বেগ বা হতাশাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ফলে অনেক তরুণের মনে জন্ম নেয় একাকীত্ব এবং বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি। “আমাকে কেউ বোঝে না বা শোনে না”—এই অনুভূতি দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে তা বিষণ্নতা, আত্মবিধ্বংসী চিন্তা এবং আত্মহত্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশের অস্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা এবং সহিংসতার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা একটি নীরব জাতীয় সতর্কসংকেত। এটি কোন একক বিষয় নয়; বরং পরিবার, শিক্ষা, রাষ্ট্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত দায়িত্বের বিষয়। যদি আমরা তরুণদের মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণ, অর্থপূর্ণ জীবনবোধ, নৈতিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বাস্তবসম্মত আশা গড়ে তুলতে পারি, তবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর এই প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। কারণ একটি জাতির ভবিষ্যৎ তার তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই নিহিত, আর সেই ভবিষ্যৎকে রক্ষা করাই আজ আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। তৃতীয়ত, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সফলতার শিক্ষা দিলেও ব্যর্থতা মোকাবিলার শিক্ষা খুব কম দেয়। একজন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য প্রস্তুত করা হয়, কিন্তু জীবনের প্রত্যাখ্যান, ব্যর্থতা, মানসিক আঘাত কিংবা হতাশার সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করতে হয়, তা শেখানো হয় না। ফলে বাস্তব জীবনের ধাক্কা অনেকের কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে। চতুর্থত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ডিজিটাল সংস্কৃতির প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। আজকের তরুণরা প্রতিনিয়ত অন্যের সাফল্য, জনপ্রিয়তা, সম্পদ এবং সুখী জীবনের প্রদর্শনী দেখে। এতে অনেকের মধ্যে হীনম্মন্যতা, হতাশা এবং ব্যর্থতার অনুভূতি তৈরি হয়। একই সঙ্গে সাইবার বুলিং, অনলাইন অপমান, সামাজিক প্রত্যাখ্যান এবং সম্পর্ক ভাঙনের ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক সময় একটি ফেসবুক পোস্ট, একটি অপমানজনক মন্তব্য বা একটি সম্পর্কের বিচ্ছেদ তরুণদের কাছে ভয়াবহ মানসিক আঘাত হিসেবে প্রতিভাত হয়। পঞ্চমত, অনিয়ন্ত্রিত এবং বেপরোয়া জীবনযাত্রাও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বর্তমান সময়ে অনেক তরুণ তাৎক্ষণিক আনন্দকে দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্বের ওপর প্রাধান্য দেয়। মাদকাসক্তি, ঝুঁকিপূর্ণ সম্পর্ক, অনলাইন আসক্তি, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো কিংবা নিয়ন্ত্রণহীন জীবনধারা অনেককে ধীরে ধীরে মানসিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দেয়। একসময় এসব সংকট একত্রিত হয়ে হতাশা, অপরাধবোধ এবং আত্মবিধ্বংসী চিন্তার জন্ম দিতে পারে। ষষ্ঠত, বেকারত্ব এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা একটি বড় কারণ। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে চাকরি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং আত্মপরিচয়ের সংকট মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। অনেকেই মনে করে যে কঠোর পরিশ্রম করেও কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। এই হতাশা কখনও আত্মবিধ্বংসী আচরণে, কখনও সহিংসতা বা অপরাধে রূপ নিতে পারে। সপ্তমত, মূল্যবোধগত পরিবর্তন এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। একসময় পরিবার, প্রতিবেশী, সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে মানুষের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা বেড়েছে, সামাজিক বন্ধন দুর্বল হয়েছে এবং অনেক মানুষ বাস্তবে একা হয়ে পড়ছে। সংকটের সময় পাশে কাউকে না পাওয়ার অনুভূতি মানুষকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়। তরুণদের সহিংসতা এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের পেছনে জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণও রয়েছে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান বলছে, মানুষের মস্তিষ্কের যে অংশটি পরিণতি বিচার, আত্মসংযম, পরিকল্পনা এবং যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য দায়ী, তা সাধারণত ২৫ বছর বয়সের আগে পুরোপুরি পরিপক্ব হয় না। অন্যদিকে আবেগ, উত্তেজনা, ক্রোধ, ঝুঁকি গ্রহণ এবং তাৎক্ষণিক আনন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত অংশ কৈশোরেই অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে তরুণরা অনেক সময় “আগে কাজ, পরে চিন্তা” ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়। সম্মান ও অপমানের প্রশ্নও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সমাজে মর্যাদা, ইজ্জত এবং সামাজিক স্বীকৃতির ধারণা অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রেমঘটিত বিরোধ, বন্ধুদের সামনে অপমান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি কিংবা সামান্য ঝগড়াও অনেক তরুণের কাছে অত্যন্ত বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ফলে অনেক সহিংসতা এবং আত্মবিধ্বংসী আচরণের পেছনে দেখা যায় আহত আত্মসম্মান এবং আবেগীয় প্রতিক্রিয়া। বন্ধুদের চাপ বা Peer Group Influence-ও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কৈশোরে পরিবার অপেক্ষা বন্ধুরা অনেক সময় বেশি প্রভাব বিস্তার করে। যদি বন্ধুমহল মাদক, গ্যাং সংস্কৃতি, সহিংসতা বা অপরাধপ্রবণ আচরণের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে সেই প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক তরুণ এমন কাজ করে যা সে একা থাকলে কখনও করত না। করণীয়- এই পরিস্থিতি একটি সামাজিক, মানসিক, নৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সংকট। তাই এর সমাধানও বহুমাত্রিক হতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় জীবন দক্ষতা (Life Skills) শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। পরিবারকে আবেগীয় নিরাপত্তার জায়গায় পরিণত করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যকে সামাজিক কলঙ্কমুক্ত করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতা, চরিত্র গঠন এবং নাগরিক দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্ব বাড়াতে হবে। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং উদ্যোক্তা সহায়তার সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। ধর্মীয় ও নৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে জীবন, আশা, ধৈর্য, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধের বার্তা আরও শক্তিশালীভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। কারণ মানুষ যখন জীবনের অর্থ, উদ্দেশ্য এবং আশার অনুভূতি হারায়, তখনই আত্মবিধ্বংসী প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের অস্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা এবং সহিংসতার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা একটি নীরব জাতীয় সতর্কসংকেত। এটি কোন একক বিষয় নয়; বরং পরিবার, শিক্ষা, রাষ্ট্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত দায়িত্বের বিষয়। যদি আমরা তরুণদের মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণ, অর্থপূর্ণ জীবনবোধ, নৈতিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বাস্তবসম্মত আশা গড়ে তুলতে পারি, তবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর এই প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। কারণ একটি জাতির ভবিষ্যৎ তার তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই নিহিত, আর সেই ভবিষ্যৎকে রক্ষা করাই আজ আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। লেখক : বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি(বাইউস্ট) এর রেজিস্ট্রার এবং খন্ডকালীন ফ্যাকাল্টি। এইচআর/জেআইএম
Go to News Site