Collector
Giriş Yap
পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: ‘কনডেম সেলে’ ঠাঁই হলো সোহেল-স্বপ্নার | Collector
পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: ‘কনডেম সেলে’ ঠাঁই হলো সোহেল-স্বপ্নার

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: ‘কনডেম সেলে’ ঠাঁই হলো সোহেল-স্বপ্নার

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জে ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে ফাঁসির আসামিদের ‘কনডেম সেলে’ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সোহেলকে কেরানীগঞ্জে ও স্বপ্নাকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে ফাঁসির আসামিদের সঙ্গে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। ফাঁসির অন্য আসামিরা যেভাবে থাকেন, তাদেরও একইভাবে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফাঁসির আসামিদের সাধারণত একা রাখা হয় না। কারণ রায়ের পর তারা মনস্তাত্ত্বিকভাবে খারাপ থাকে। আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাতে পারে। এজন্য সবার সঙ্গে রাখা হয়। সাধারণত ফাঁসির একটি সেলের আয়তন বিবেচনায় ২ থেকে ৫ জনকে একসঙ্গে রাখা হয়।গত ১৯ মে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী। ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০ মে শিশুটির বাবার করা মামলা পুলিশ তদন্ত করে ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষের ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। অর্থাৎ মাত্র ১৭ দিনের বিচারিক কার্যক্রম শেষে বহুল আলোচিত এ মামলার রায় দেওয়া হয়। টিটি/জেএইচ

Go to News Site