Jagonews24
দুর্দান্ত শুরুর পর আচমকাই যেন কিছুটা চাপে পড়লো বাংলাদেশ। ফিফটি করা তানজিদ তামিমের বিদায়ের পর উইকেটে আসা লিটন কুমার দাস উইকেটে থিতুই হতে পারেননি। তার আগেই ৭ রান করে নিয়েছেন বিদায়। অন্যপ্রান্তে ফিফটি তুলে নিয়ে দলের একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনিও ৬৭ রানে সাজঘরে ফিরলে ১৪০ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তামিম-লিটন ফেরার পর সেট ব্যাটার হিসেবে উইকেটে টিকে থাকার কথা ছিল তখনই ফিরে গেলেন শান্ত। শুরুতেই সাইফের বিদায়ের পর তানজিদকে সঙ্গে দলকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন শান্ত। তবে তানজিদ ফিফটির পরই ফিরে গেছেন। তাদের জুটিতে এসেছে ৯১ বলে ৯৬ রান। ৯ রানে বেঁচে যাওয়া শান্ত এরপর থেকে খেলছেন আস্থার সঙ্গে। ৫৭ বলে ছুঁয়েছেন ক্যারিয়ারের ১২তম ফিফটি। এরপর লিটন দাস এসে সঙ্গ দেওয়া শুরু করেন। তবে দ্রুতই ফিরেছেন তিনিও। খন্ডকালীন স্পিনার ম্যাট রেনশর ঘণ্টায় ৮৪.৮ কিলোমিটার গতির ধীরগতির বল, সঙ্গে ছিল সামান্য টার্নও। লিটন দাস ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে এসে মিড-অফের ওপর দিয়ে বড় শট খেলার চেষ্টা করেন। তবে ব্যাটের মাঝখানে না লেগে বল লাগে নিচের প্রান্তে। ফলে বলটি সোজা বোলার রেনশর দিকে যায়, নিজের ফলো-থ্রুর মাঝেই কঠিন এক ক্যাচ তালুবন্দি করেন তিনি। ৯ বলে ৭ রান করেন লিটন। তবে শান্তও বিদায় নিলেন অসময়ে। তার ব্যাট থেকে এলো ৮৬ বলে ৬৭ রান। এর আগে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিটা নাথান এলিস অফ স্টাম্পের আশপাশে ফুল লেংথে করেছিলেন। সেটি মাটিতে পড়ার পর বলটি শেষ মুহূর্তে বাইরে দিকে সরে যায়। ড্রাইভ করতে গিয়েছিলেন সাইফ, তবে বল ব্যাটের কানায় লেগে উড়ে যায় স্লিপে। সেখানে ডান দিকে পুরো শরীর ছুড়ে দিয়ে দুই হাতে অসাধারণ এক ক্যাচ নেন মার্নাস লাবুশেন। এরপর শান্ত ও তামিম মিলে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন। ইনিংসের ১৭তম ওভারে ফেরার আগে ৪৩ বলে ৫৪ রান করেন তামিম। এসকেডি/আইএন
Go to News Site