Collector
Giriş Yap
গ্রাহকের অজান্তে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন, সিআইডির হাতে গ্রেফতার | Collector
গ্রাহকের অজান্তে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন, সিআইডির হাতে গ্রেফতার

গ্রাহকের অজান্তে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন, সিআইডির হাতে গ্রেফতার

গ্রাহকের অজান্তে তার নামে ইস্যু করা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম সারোয়ার হোসেন (৪০)। তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা বলে জানিয়েছে সিআইডি। মঙ্গলবার (৯ জুন) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশান থানার ৩২ নম্বর রোডের কমার্শিয়াল কোভ ভবন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে সারোয়ার হোসেন একটি স্বনামধন্য ব্যাংকে সিনিয়র রিলেশনশিপ অফিসার (কার্ড সেলস, রিটেইল ব্যাংকিং) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় এক গ্রাহক তার নামে ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করেন। পরে প্রয়োজন না হওয়ায় গ্রাহক কার্ডটি ব্যাংকে ফেরত দিলেও সারোয়ার সেটি জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ভুয়া মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা ব্যবহার করে কার্ডটির নিয়ন্ত্রণ নিজের কাছে রাখেন, যাতে কার্ড-সংক্রান্ত ওটিপি তার কাছেই পৌঁছায়। পরে ওই কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করেন। সম্প্রতি ভুক্তভোগী ব্যক্তি ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানতে পারেন, তার নামে ২০১৭ সালে ঋণ গ্রহণ দেখানো হয়েছে। অথচ তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না এবং কোনো ঋণও নেননি। পরে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ তদন্তে জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসে। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল মামলা করে। তদন্তে জানা গেছে, ২০১৭ সালের শেষ থেকে ২০২২ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ভুক্তভোগীর অজ্ঞাতে ওই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে মোট ১৭ লাখ ৭০ হাজার ২১৩ টাকার লেনদেন করা হয়। এর মধ্যে ১৪ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করা হলেও লভ্যাংশসহ অবশিষ্ট ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিআইডি বলছে, সারোয়ার হোসেন ব্যাংকে কর্মরত অবস্থায় গ্রাহকের প্রতি অর্পিত বিশ্বাসের অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এমনকি ২০১৯ সালে চাকরি ছাড়ার পরও তিনি ওই কার্ড ব্যবহার করে লেনদেন চালিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে সিআইডি। একই ধরনের আরও কোনো জালিয়াতির সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে। টিটি/এমআইএইচএস

Go to News Site