Collector
Giriş Yap
পুশইন ঠেকাতে নেত্রকোনা সীমান্তে বিজিবি ও গ্রামবাসীর যৌথ পাহারা | Collector
পুশইন ঠেকাতে নেত্রকোনা সীমান্তে বিজিবি ও গ্রামবাসীর যৌথ পাহারা

পুশইন ঠেকাতে নেত্রকোনা সীমান্তে বিজিবি ও গ্রামবাসীর যৌথ পাহারা

দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশইন ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একইসঙ্গে পুশইন প্রতিরোধে দিন-রাত সীমান্তে বিজিবির পাশাপাশি একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ গ্রামবাসীকে সচেতন করার কাজও চলছে জোরালোভাবে।স্থানীয় সূত্র জানায়, দেশের স্বার্থে যেকোনো মূল্যে পুশইন ঠেকাতে স্থানীয় গ্রামবাসী ও বিজিবি এক হয়ে কাজ করছে। সীমান্ত দিয়ে শুধু পুশইন প্রতিরোধই নয়, যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ও মানবপাচার রোধেও বিজিবি কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে রাত যত গভীর হয়, সীমান্তজুড়ে উটকো আতঙ্ক ততই ঘনীভূত হয়। এই আতঙ্ক ও আশঙ্কা থেকে গেল কয়েকদিন ধরে রাতের বেলায় গ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে সম্ভাব্য সব পয়েন্টে মাইকিং ও বিশেষ যৌথ টহল চালাচ্ছে বিজিবি।নেত্রকোনা ৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, এই ব্যাটালিয়নের অধীনে থাকা ৯২ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার সবকটি পয়েন্টে কড়া নজরদারি আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে নেত্রকোনার ১০টি, ময়মনসিংহের ৩টি এবং সুনামগঞ্জ সীমান্তের ২টিসহ মোট ১৫টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) সর্বদা প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।বিজয়পুর সীমান্তের বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবেদার মো. নুরুল ইসলাম জানান, সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি এবং টহল জোরদার করে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এই জাতীয় দুর্যোগ ও পুশইন ঠেকানোর কাজে স্থানীয় গ্রামবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সর্বোচ্চ সতর্কতার কারণে এখন পর্যন্ত এই সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ পুশইনের ঘটনা বা প্রচেষ্টা ঘটেনি। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।আরও পড়ুন: পঞ্চগড় সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা ১০ জনকে ফেরত নিলো বিএসএফ৩১ বিজিবি নেত্রকোনার অধিনায়ক লে. কর্নেল তৌহিদুল বারী (পিএসসি) বলেন সময় সংবাদকে, 'আমাদের ৯২ কিলোমিটার সীমান্তের সম্ভাব্য সব এলাকায় কড়া নজরদারি আরোপ করা হয়েছে। সবচেয়ে আশার কথা হলো, সীমান্ত এলাকার স্থানীয় লোকজন আমাদের ব্যাপক সহযোগিতা করছেন। প্রতি রাতে টহলে তাঁরাও আমাদের সাথে থাকছেন এবং জানান দিচ্ছেন যে কোনো ধরনের পুশইন হতে দেওয়া হবে না।'তিনি আরও বলেন, 'পুশইনের পাশাপাশি এই সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো ধরনের চোরাচালান এবং মানবপাচার সংঘটিত হতে না পারে, সেদিকেও বিজিবি কড়া হুঁশিয়ারি ও কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে।'

Go to News Site