Jagonews24
সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ এবং রাজনৈতিক ফায়দা লোটার উদ্দেশ্যে বিরোধী দল বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তিনি বলেছেন, সরকার ও বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ধরনের কথা বলা হচ্ছে। তবে দেশের সাধারণ মানুষ সচেতন এবং দেশের জন্য কারা মঙ্গলজনক, তারা তা ভালোভাবেই বোঝেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (৯ জুন) পুরান ঢাকার সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টারে দুস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ইশরাক হোসেন এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক রাজনৈতিক নেতা মনে করেন তারা খুব বেশি বোঝেন, আর সাধারণ মানুষ কিছু বোঝে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো দেশের শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষই সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারেন দেশের পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে। তাদের বোকা বানানোর কোনো সুযোগ নেই। ইশরাক হোসেন বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে তাদের মতামত দিয়েছে। তারা বিএনপির নেতৃত্বাধীন যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয় ব্যক্তিদের বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছে। বর্তমান সংসদের ৩০০ সদস্যের মধ্যে ২১৭ জনই নতুন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য, বিরোধীদলীয় নেতাও প্রথমবার সংসদ সদস্য। আমিও প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েছি। মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্যও নতুন। তবে এটিকে আমরা কোনো দুর্বলতা মনে করি না। বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় নিজেদের আরও শক্তিশালী মনে করি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতো কোনো রাবার স্ট্যাম্প সরকার নই। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। আমাদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে এবং আবার জনগণের কাছেই ফিরে যেতে হবে। নতুন হওয়ায় আমাদের কিছুটা সময় বেশি লাগতে পারে, কিন্তু জনগণের প্রশ্নে এবং বাংলাদেশের প্রশ্নে আমাদের কোনো ঘাটতি নেই।’ রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতের ইতিহাস জানা প্রয়োজন। ১৯৭১ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা যেমন মানুষ দেখেছে, তেমনি ২০২৪ সালেও কার কী ভূমিকা ছিল সেটিও দেখেছে। তাই রাজনৈতিক স্বার্থে কেউ নানা ধরনের কথা বললেও জনগণকে ইতিহাস, বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনা করে নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আব্দুল্লাহ আল কাউছার/এমএমএআর
Go to News Site