Collector
Giriş Yap
ঝুঁকিপূর্ণ ৩ ভবনে চলে দাপ্তরিক কাজ, ছয় দপ্তরে নেই প্রধান কর্মকর্তা | Collector
ঝুঁকিপূর্ণ ৩ ভবনে চলে দাপ্তরিক কাজ, ছয় দপ্তরে নেই প্রধান কর্মকর্তা

ঝুঁকিপূর্ণ ৩ ভবনে চলে দাপ্তরিক কাজ, ছয় দপ্তরে নেই প্রধান কর্মকর্তা

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে দাপ্তরিক কাজ। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে নেই ছয়জন প্রধান কর্মকর্তা। একেতো ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, তার ওপরে আবার নেই কর্মকর্তা—সব মিলিয়ে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। তবে সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও সমাজ সেবা অফিসের ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছেন এসব দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কোনো কোনো দপ্তরে সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। আবার খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। শুধু তাই নয়, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এসব দপ্তরের মধ্যে রয়েছে উপজেলা নির্বাচন অফিস, সমবায় অফিস, মহিলা বিষয়ক দপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এবং পরিবার পরিকল্পনা অফিস। উপজেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তরে মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সাদিয়া আক্তার বলেন, ‘এই অফিসে ঢুকতেই ভয় লাগে। দক্ষিণ দিকের প্রাচীরটি গাছের গুঁড়ির ঠেস দিয়ে ধরে রেখেছে, যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’ সমাজসেবা অফিসের দেওয়ালগুলোর অবস্থা ভালো নয় বলে জানান উপজেলা এনজিও সমন্বয় ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় শ্যাওলা ধরে পলেস্তারা খুলে গেছে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অবস্থাও প্রায় একই রকম। এমন পরিস্থিতির মধ্যে নেই আবার গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা।’ সেবা নিতে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মিজানুর রহমান নামের একজন। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সব ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার। তা নাহলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।’ এ বিষয়ে ইউএনও মাসুমা বেগম বলেন, সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এসআর/এএসএম

Go to News Site