Jagonews24
মিরপুর-১১ নম্বরের এক বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭৫) নামের এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নিচে নন, এমন বিচারিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে কয়েকটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে পচা-গলা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নিচে নন, এমন একজন বিচারিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন খোঁজ রাখেন না যুগ্ম সচিব-বুয়েটের শিক্ষক ছেলে, ঘরে মায়ের পচা-গলা মরদেহ গত ৩ জুন ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী মো. শরীফ সরকারের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন করেন। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করে এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী জানান। রিটে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ হিসেবে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী প্রবীণ ও শারীরিকভাবে অক্ষম নাগরিকদের জন্য পরিচর্যাকারী (কেয়ারগিভার) বা নার্স নিয়োগ ও সম্পৃক্ত করার বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল জারির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় নিজ ফ্ল্যাট থেকে নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। গত রোববার (৩১ মে) জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে বৃদ্ধা ওই মায়ের পচা-গলা-পোকা ধরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মায়ের সঙ্গে একই বাসায় পাশাপাশি রুমে বসবাস করলেও মৃত্যুর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করেননি মেয়ে। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, নুরজাহান বেগম দীর্ঘদিন একা বসবাস করতেন। তার এক ছেলে সরকারের যুগ্ম-সচিব। অন্য আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং মেয়ে স্কুলশিক্ষিকা। নুরজাহান বেগমের দুই ছেলে আলাদা থাকতেন। মায়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না তাদের। এফএইচ/এমআইএইচএস
Go to News Site