Collector
Giriş Yap
বাজেটে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যে কর ছাড় থাকছে | Collector
বাজেটে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যে কর ছাড় থাকছে

বাজেটে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যে কর ছাড় থাকছে

ব্যবসায়ীদের জন্যও থাকছে কর ছাড় মানুষকে শক্তি দেওয়াই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য কর ফাঁকি রোধ করা গেলে রাজস্ব লক্ষ্যের কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব জনগণের ওপর নতুন করের চাপ না দিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা সহজীকরণ ও ডিজিটাল রাজস্ব ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। বেশিরভাগ নিত্যপণ্যে কর ছাড় ও শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা রাখা হয়েছে। ব্যবসা সহজ করা ও সাধারণ মানুষকে শক্তি দেওয়ার ওপর এবারের বাজেটে বেশি ফোকাস করা হয়েছে। জাগো নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন দেশের রাজস্ব আহরণ, করনীতি নির্ধারণ ও জাতীয় বাজেটের রাজস্ব কাঠামো তৈরির মূল দায়িত্ব পালনকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এমদাদুল হক তুহিন। জাগো নিউজ: এবারের বাজেটটি কেমন হতে যাচ্ছে? আবদুর রহমান খান: এবারের বাজেট হবে জনবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব ও অর্থনীতিবান্ধব। জাগো নিউজ: বাজেটে এবার নতুনত্ব কী থাকছে? আবদুর রহমান খান: হ্যাঁ, নতুনত্ব অনেক কিছুই থাকছে। মেইনলি যেটি বললাম, ব্যবসা-বাণিজ্যের যে নিয়ম-কানুন এগুলো যতটা সম্ভব সহজ করা যায় ও ডিজিটালাইজেশনকে প্রমোট করা- এটিই হচ্ছে মূল ফোকাস। একইসঙ্গে সাধারণ জনগণের ওপর যাতে বাড়তি করের চাপ না আসে সেই চেষ্টাটা করা- এটাই আমাদের এবারের বাজেটের ফোকাস। যেটি বললাম, ব্যবসাকে সহজ করা ও সাধারণ মানুষকে শক্তি দেওয়া এটার ওপরে বেশি ফোকাস করা হয়েছে এবারের বাজেটে। আরও পড়ুনবাজেটে নারী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজন বিশেষ করহার ও স্বল্প সুদে ঋণরপ্তানি ও কৃষিখাতে বাড়তি কর, রপ্তানিকারকদের ওপর চাপ বাড়ার শঙ্কাআসছে ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট, কর্মসংস্থান-মূল্যস্ফীতিতে নজরপাবজি-সিওডি খেলতেও দিতে হবে কর জাগো নিউজ: বাজেটে রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হচ্ছে, সেটি কতটা বাস্তবায়নযোগ্য? আবদুর রহমান খান: যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হচ্ছে সেই লক্ষ্যমাত্রা আসলে কতটা বাস্তবায়ন হবে- তা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। এটি নির্ভর করে আমরা নিয়ম-কানুনে কতটা শৃঙ্খলা আনতে পারি, কর ফাঁকি কতটা রোধ করতে পারি, তার ওপর নির্ভর করবে। আমরা যদি কর ফাঁকি রোধ করতে পারি, কর আহরণ বাড়াতে পারি, তাহলে অনেকটাই হয়তো কাছাকাছি যাবে। নিঃসন্দেহে এমনিতে লক্ষ্য অর্জন খুবই চ্যালেঞ্জ। জাগো নিউজ: বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য নিত্যপণ্যে বড় কোনো ছাড় থাকছে কি না? আবদুর রহমান খান: হ্যাঁ, থাকবে। বেশিরভাগ পণ্যে আমরা ছাড় দিচ্ছি। জাগো নিউজ: এবারের বাজেটে ব্যবসায়ীরা বড় কোনো কর ছাড় পাচ্ছে কি? আবদুর রহমান খান: হ্যাঁ, পাচ্ছে। যারা ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট, তাদের জন্য অনেক ছাড় আছে। জাগো নিউজ: এবারের বাজেট প্রণয়নে আইএমএফের চাপ আসলে কতটা ছিল? আবদুর রহমান খান: সেটি তো ভিন্ন জিনিস। আইএমএফ তো একটা কথাই বলে, আমাদের রেভিনিউ আদায় বাড়াতে হবে, খরচ কমাতে হবে, যাতে আমাদের ঋণের পরিমাণটা কমে। এটাই হচ্ছে তাদের মূল কথা। আরও পড়ুনব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেইস্বাস্থ্যে বাড়তি বরাদ্দ, চিকিৎসার চিত্র বদলাবে কতটাবাজেটে কৃষির হিস্যা আরও কমছেঅর্থবছর ২০২৬-২৭: শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব, তবু কমছে বরাদ্দ জাগো নিউজ: ডিজিটালাইজেশনে জোর দেওয়ার কথা বলছিলেন। আবদুর রহমান খান: হ্যাঁ, আমরা ডিজিটালাইজেশনে যাচ্ছি। ডিজিটালাইজেশন তো আসলে একদিনে হয় না। এগুলো যখন শুরু করি, সময় লাগে। আমরা শুরু করে দিয়েছি। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সঙ্গে আমরা যে নতুন প্রজেক্টটা হাতে নিয়েছি, তার অধীনে আমরা ব্যাপক ডিজিটালাইজেশন করার চেষ্টা করবো। কিছু কাজ হয়তো শেষ করতে পারবো, যেগুলো আগে থেকে করা আছে। আর নতুন করে যেগুলো শুরু করবো, সেগুলোতে একটু সময় লাগবে। জাগো নিউজ: নতুন সরকারের বাজেটটি আসলে সাধারণ মানুষের জন্য কেমন হতে যাচ্ছে, যদি এক বাক্যে বলতে চান। আবদুর রহমান খান: এক বাক্যে বললে, এবারের বাজেটে দেশের মানুষের জন্য শক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটাই হলো মূল। দেশের মানুষকেই বাজেটের মূল ফোকাসে রাখা হয়েছে। মানুষের যাতে অসুবিধা না হয় ও বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের যে চাপ, সেটা যাতে কিছুটা হলেও কমাতে পারি সেটিই আমাদের লক্ষ্য। ইএইচটি/এমএমএআর/এমএফএ

Go to News Site