Somoy TV
আগামী ১১ জুন থেকে পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের। ৩ আয়োজক এবং ৪৮টি দেশ নিয়ে নতুন আঙ্গিকের অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপ নিয়ে ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। পুরো বিশ্ব যখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে উঠতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ফিফার ও এর সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করেছেন উয়েফার সাবেক সভাপতি মিশেল প্লাতিনি।একসময় ফিফা সভাপতি হওয়ার দৌড়ে ছিলেন প্লাতিনি। তার অভিযোগ, অভ্যন্তরীণ কারসাজির মাধ্যমে তাকে ফিফা সভাপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ফৌজদারি অভিযোগে ইনফান্তিনো, ফিফার সাবেক আইন পরিচালক মার্কো ভিলিগার এবং সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ডোমেনিকো স্কালার বিরুদ্ধে ‘অসৎ উদ্দেশে মামলা পরিচালনা’ এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় পূর্ণ আর্থিক ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন প্লাতিনি। ২০১৫ সালে আইনী এই লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে। ফিফার পক্ষ থেকে ২০১১ সালে প্লাতিনিকে ২০ লাখ সুইস ফ্রাঁ অর্থ প্রদান করেন সেপ ব্লাটার, এমন একটা তথ্য সেসময় সামনে আসে তখন। পরবর্তীতে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে ফুটবল প্রশাসন থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হন সাবেক ফ্রান্স অধিনায়ক প্লাতিনি। এর ফলে উয়েফার তৎকালীন মহাসচিব ইনফান্তিনোর সামনে ২০১৬ সালের শুরুতে ফিফা সভাপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পথ খুলে যায়। আরও পড়ুন: ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ ডাচ ডিফেন্ডারের ফ্রান্সে প্লাতিনির মামলা নিষ্পত্তি হয় ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ। সুইস ফেডারেল ফৌজদারি আপিল আদালতে তিনি এবং ব্লাটার চূড়ান্ত খালাস পান। আদালতের ওই রায়ে তাদের বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চূড়ান্ত রূপ পায় সেই রায়। ৭০ বছর বয়সী প্লাতিনি ছাড়া পাওয়ার পর বলেছিলেন, তার বিশ্বাস তাকে ফিফা সভাপতি হওয়া থেকে ঠেকাতেই ওই মামলা করা হয়েছিল। এখন বয়স বেশি হয়ে যাওয়ায় আর ফুটবলে ফিরতে চান না বলেও জানিয়েছেন প্লাতিনি। তবে অভিযোগে ফরাসি তদন্তকারীদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, তারা যেন ফিফা কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড এবং মূল ফৌজদারি তদন্তের সময় সুইস আইনজীবীদের ফিফার সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। ২০১৫ সালে ফিফা ওই ঘটনায় নিজেদের ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নতুন করে হওয়া মামলা নিয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।
Go to News Site