Collector
Giriş Yap
ভূমিকম্পে নাতিকে বুকে আগলে রাখলেন দাদি, ভাইরাল ভিডিওতে আবেগে ভাসছে বিশ্ব | Collector
ভূমিকম্পে নাতিকে বুকে আগলে রাখলেন দাদি, ভাইরাল ভিডিওতে আবেগে ভাসছে বিশ্ব

ভূমিকম্পে নাতিকে বুকে আগলে রাখলেন দাদি, ভাইরাল ভিডিওতে আবেগে ভাসছে বিশ্ব

দক্ষিণ ফিলিপাইনে ভয়াবহ ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এক বৃদ্ধার সাহসিকতা আর ভালোবাসার দৃশ্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তীব্র ঝাঁকুনিতে যখন সবকিছু কাঁপছে, ঠিক সেই মুহূর্তে এক বৃদ্ধা তার নাতিকে নিজের বুকে টেনে নিয়ে শক্ত করে আগলে ধরেন।ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনরা তাকে “সুপারহিরো দাদি” হিসেবে অভিহিত করছেন। বিপদের মুহূর্তে কোনো দ্বিধা ছাড়াই শিশুটিকে রক্ষা করার এই দৃশ্যকে অনেকে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও মানবিকতার সবচেয়ে শক্তিশালী উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করছেন।ভূমিকম্পের সময় ওই বৃদ্ধার চেহারায় আতঙ্ক থাকলেও, তার শরীরের ভাষা বলে দেয়— তার একমাত্র অগ্রাধিকার ছিল নাতির জীবন রক্ষা করা। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি শিশুটিকে বুকের ভেতর ঢেকে ফেলেন, যেন নিজের শরীরকেই ঢাল বানিয়ে ফেলেছেন ভয়াবহ দুর্যোগের বিরুদ্ধে। Magnitude 7.8 earthquake in the Philippines today.CCTV footage of a grandmother trying to protect her grandchild during the earthquake.This happened 4-6 hours ago. pic.twitter.com/vkXNUXkpzi— Anonymous (@YourAnonNews) June 8, 2026 ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “কী ভয়াবহ ভূমিকম্প! আশা করি সবাই নিরাপদ আছেন।” আরেকজন মন্তব্য করেন, “নিজে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি না হলে বোঝা যায় না, তিনি কী করেছেন। এটা বোকামি নয়, এটা ছিল মুহূর্তের সেরা সিদ্ধান্ত।” আরও একজন লিখেছেন, “এই ভিডিওটা সরাসরি দেখলে বোঝা যায় ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প কতটা ভয়াবহ। এমন মুহূর্তে তার প্রতিক্রিয়া সত্যিই শ্রদ্ধার যোগ্য।” আরও পড়ুন: ঘন ঘন ভূমিকম্প কি কিয়ামতের আলামত?সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় খুব ভোরে ফিলিপাইনের সারাঙ্গানি প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার (১২.৪ মাইল) দূরে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর প্রভাব ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তীব্র কম্পন অনুভূত হয় পুরো মিন্দানাও অঞ্চলজুড়ে। শুধু তাই নয়, প্রায় ৪২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের মানাদো শহরেও ভূমিকম্পের কম্পন স্পষ্টভাবে টের পাওয়া যায়।ভূ-তাত্ত্বিকভাবে অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় “রিং অব ফায়ার”-এর অংশ হওয়ায় এখানে ভূমিকম্প তুলনামূলক বেশি ঘটে।ভূমিকম্পের পরপরই ফিলিপাইনসহ বেশ কয়েকটি দেশে সুনামি সতর্কবার্তা জারি করা হয়, উপকূলীয় এলাকাগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয় এবং মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আরও পড়ুন: রাতে একই জায়গায় ৩ বার ভূমিকম্প!বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন শত শত মানুষ। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Go to News Site