Somoy TV
রাজধানীর মৌচাক এলাকায় সালিশ বৈঠকে স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে (৫৭) হত্যার ঘটনায় রমনা থানা একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার ডিউটি অফিসার উপ পরিদর্শক (এস আই) কাজী আরিফ আহমেদ। তিনি জানান, মৌচাক মার্কেটে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে হত্যার ঘটনায় দিদারুল ইসলাম বাবুকে প্রধান আসামি করে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ও ৭ থেকে ৮ জনের নামে একটি হত্যা মামলা হয়েছে। নিহত বিল্লাল হোসেন তালুকদারের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে রমনা থানা মামলাটি (মামলা-৭) দায়ের করেন। এরআগে, সোমবার (৮ জুন) রাতে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে ভাগ্নেকে মারপিটের ঘটনায় এক সালিশ বৈঠক করতে এসে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন বিল্লাল। নিহত বিল্লালের ভাগ্নে মো. মোবারক হোসেন আকাশ জানান, সোমবার সন্ধ্যায় আনারকলি মার্কেটের সামনে কয়েকজন যুবক তাকে প্রথমে মারধর করে। পরে তিনি ঘটনাটি তার মামা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে জানান। পরে বিল্লাল সেখানে আসেন। রাত ৮টার দিকে আনারকলি মার্কেটের সামনে ওই মারামারির ঘটনায় বসা সালিশ বৈঠকে বিল্লালের সঙ্গে যুবদলের রমনা থানার বর্তমান আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু ও সেক্রেটারি লুৎফরের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বাবুর নেতৃত্বে তার অনুসারী মিরাজ বিল্লালের বুকে ছুরিকাঘাত করে। ছুরির আঘাতে বিল্লাল তাৎক্ষণিক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত বিল্লাল হোসেন মালিবাগ বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় বালু ও সিমেন্টের ব্যবসায়ী ছিলেন। আরও পড়ুন: স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা খুন / যুবদল নেতা দিদারুল বহিষ্কার, রমনার কমিটি বিলুপ্ত এই ঘটনায় রমনা থানা পুলিশ, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে হত্যার ঘটনায় ঢাকার মগবাজার ও মুন্সীগঞ্জ থেকে আলামিন ও রিয়াজ নামে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে রমনা থানার কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
Go to News Site