Jagonews24
প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলবেন হাসান মাহমুদ। কাউন্টি ক্লাব কেন্ট ক্রিকেট ক্লাব বাংলাদেশের এই পেসারকে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। চলতি মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ছয়টি ম্যাচ খেলবেন হাসান। কেন্টে যোগ দিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের কথা বলেছেন এই ডানহাতি পেসার। চলতি মাসে কেন্টের হয়ে দুইটি ম্যাচে খেলার কথা রয়েছে হাসান মাহমুদের। আগামী ১২ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে এবং এরপর ১৯ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত কেন্টারবেরিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৭৪তম কেন্টারবেরি ক্রিকেট উইকের অংশ হিসেবে মিডলসেক্সের বিপক্ষে হোম ম্যাচে তাকে দেখা যাবে। পরে মৌসুমের শেষ অংশে সেপ্টেম্বরেও আরও চারটি ম্যাচে ফিরবেন তিনি। ২০২৪ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের পর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ৩৬টি টেস্ট উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। একই বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ৪৩ রানের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগারও আছে ২৬ বছর বয়সী এই ডানহাতি পেসারের। এবারই প্রথম কোনো বিদেশি লিগে খেলবেন হাসান মাহমুদ। আর কেন্টের হয়ে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাঠে নামবেন। এর আগে কাউন্টি ক্রিকেটে প্রথমবার খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। তিনি খেলেছেন ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব ওরস্টারশায়ারের হয়ে ২০০৯ মৌসুমে। এছাড়া সারের হয়েও খেলেছেন সাকিব। কেন্টের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট সাইমন কুক বলেছেন, হাসানকে দলে পেয়ে তারা আনন্দিত। তার মতে, নতুন এই পেসার দলে আন্তর্জাতিক মানের গতি যোগ করবেন এবং মৌসুমের শেষ দিকে দলের বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করবেন। অন্যদিকে কেন্টে যোগ দিয়ে হাসান মাহমুদ বলেন, ‘কেন্টের মতো ঐতিহ্যবাহী একটি ক্লাবের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি। কাউন্টি ক্রিকেট খেলা আমার জন্য একটি স্বপ্নপূরণের মতো। এটি শুধু আমার জন্যই নয়, বরং বাংলাদেশের সবাই—যারা আমাকে সমর্থন করেছে—তাদের জন্যও গর্বের মুহূর্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করতে এবং দলের সাফল্যে অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অ্যাডাম হ্যালোক এবং সাইমন কুকের সঙ্গে আমি ইতিমধ্যেই কথা বলেছি, আমি কী দিতে পারি এবং আমার কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করা হবে—এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখন আমি এই ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মুখিয়ে আছি। আমি ক্লাবের সদস্য ও সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছি, পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে থাকা বাংলাদেশি সমর্থকদের মাঠে এসে দলকে সমর্থন করতে দেখতেও চাই। তাদের ক্রিকেটপ্রেম সত্যিই সুপরিচিত।’ এসকেডি/এমএমআর
Go to News Site