Jagonews24
উজবেকিস্তান জাতীয় দলের প্রতিনিধিদলের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর ইতালিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলার ফ্যাবিও ক্যানাভারো একটি বিব্রতকর ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। ইতালির ২০০৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সাবেক এই অধিনায়ক তারকাকে পুঙ্খানুপুঙ্খ নিরাপত্তা তল্লাশির জন্য আলাদা করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে উজবেকিস্তানের প্রীতি ম্যাচের আগে, যে ম্যাচে কোডি গাকপোর দুটি গোলে নেদারল্যান্ডস শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে এবং উজবেকিস্তানের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন ইগর সের্গেইভ। অনলাইনে শেয়ার করা ফুটেজে দেখা যায়, নিরাপত্তা কর্মীরা ইতালীয় এই তারকার জিনিসপত্র তল্লাশি করছেন এবং তিনি কাছেই অপেক্ষা করছেন। ফুটবলের অন্যতম পরিচিত ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও ক্যানাভারোকেও তার সফরসঙ্গীদের মতোই একই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। যদিও পুরো উজবেকিস্তান প্রতিনিধিদলকেই কঠোর তল্লাশির সম্মুখীন হতে হয়েছে বলে মনে হচ্ছে, খেলায় ক্যানাভারোর পরিচিতির কারণে তাকে ঘিরে থাকা ছবিগুলোই নেটিজেনদের সবচেয়ে বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। উজবেকিস্তানের কোচও স্বীকার করেছেন যে, তিনি এই তল্লাশিতে অবাক হয়েছেন। ম্যাচের পর তিনি বলেন, তারা আমাকে বলেছিল এটা নিয়ম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তল্লাশিটা শুধু আমাদের জন্যই ছিল। আপনাদের উচিত তাদের জিজ্ঞাসা করা। এই আলোচিত ঘটনা সত্ত্বেও, ক্যানাভারোর দল টুর্নামেন্টের জন্য তাদের প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করছে। এই আসরেই তারা তাদের প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিতে চলেছে এবং গ্রুপ \'কে\' থেকে কোয়ালিফাইয়ের আশা করছে। গ্রুপ পর্বে তারা পর্তুগাল, কঙ্গো এবং কলম্বিয়ার মুখোমুখি হতে চলেছে। এর আগে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ইরাক ফুটবল দল। তবে দেশটির তারকা স্ট্রাইকার আয়মান হুসেনকে বিমানবন্দরে ৭ ঘণ্টা আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে নিশ্চিত করেন ইরাক ফুটবলের এক কর্মকর্তা। শিকাগোর ও\'হেয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শনিবার দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে। অন্যদিকে ইরাকের জাতীয় দলের ফটোগ্রাফার তালাল সালাহকে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের পরও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় হুসেইনের ফোনও পরীক্ষা করা হয় বলে জানানো হয়েছে। তবে ইরাক ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য আসেনি। পরে জানা যায়, মার্কিন প্রশাসনের ভুলের কারণে পুরো ঘটনাটি ঘটেছে। আয়মান হুসাইনের নামের সঙ্গে মিল থাকা অন্য এক সন্দেহভাজন নাগরিকের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। নাম একই হওয়ায় তাকে ভুল করে আটকে ফেলা হয়। বিমানবন্দরে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা ঘটনার বুঝতে পেরে তাকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও আইনি মারপ্যাঁচে তা সম্ভব হয়নি। এমএমআর
Go to News Site