Collector
Giriş Yap
সাত মামলায় দীপু মনির জামিন কেন নয়, জানতে চেয়ে রুল হাইকোর্টের | Collector
সাত মামলায় দীপু মনির জামিন কেন নয়, জানতে চেয়ে রুল হাইকোর্টের

সাত মামলায় দীপু মনির জামিন কেন নয়, জানতে চেয়ে রুল হাইকোর্টের

রাজধানীর পল্টন থানার মারধরের ঘটনায় করা একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। তবে হত্যার অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা আরও সাতটি মামলায় কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি খায়রুল আলম ও বিচারপতি একেএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এদিন দীপু মনির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রমজান আলী শিকদার। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে এ আইনজীবী জাগো নিউজকে বলেন, আটটি মামলায় হাইকোর্টে দীপু মনির জামিন আবেদন করা হয়েছিল। এর মধ্যে মারধরের ঘটনায় পল্টন থানার মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আর হত্যার অভিযোগে তেজগাঁও, বাড্ডা ও যাত্রাবাড়ী থানায় করা পৃথক সাতটি মামলায় কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেছেন আদালত। রমজান আলী শিকদার আরও জানান, বর্তমানে ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে মোট ৩৮টি মামলার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। বাকি মামলাগুলোর মধ্যে দুটিতে হাইকোর্ট রুলসহ জামিন দিয়েছেন। এছাড়া ১৩টি মামলায় জামিনের প্রশ্নে রুল জারি করা হয়েছে। ডা. দীপু মনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই সপ্তাহ পর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন আবু সাঈদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি এবং সহিংসতায় নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগসহ প্রায় ৩৮টির বেশি মামলা রয়েছে। চিকিৎসা শাস্ত্র ও আইনের ডিগ্রিধারী ডা. দীপু মনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার পর তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার পরের একটি সরকারে তিনি শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সরকারে তিনি সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ওই বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে তার মন্ত্রিত্বের অবসান ঘটে। তারপর গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন তিনি। এফএইচ/এমকেআর

Go to News Site