Jagonews24
চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও মেলায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এই মেলার ‘থিম কান্ট্রি’। বুধবার (১০ জুন) কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে ‘১০ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চীন কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা-২০২৬’ নামে এ মেলা শুরু হবে। মেলা চলবে ১৬ জুন পর্যন্ত। মঙ্গলবার (৯ জুন) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ব্যবস্থাপনায় এবং কুনমিংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতায় মেলায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ছয় দিনব্যাপী এ মেলায় বিশ্বের ৬৮ দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় এবার রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি তৈরি পোশাক, পাটজাত পণ্য ও চামড়াজাত পণ্যসহ বিভিন্ন খাতের বৈচিত্র্যময় পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসছেন। মেলায় ‘বাংলাদেশ ডে’ ও বিশেষ আয়োজন মেলার উদ্বোধনী দিনেই ‘থিম কান্ট্রি’ হিসেবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এরপর মেলার দ্বিতীয় দিন (১১ জুন) বিশেষভাবে উদযাপিত হবে ‘বাংলাদেশ ডে’। এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এছাড়া ইউনান প্রদেশের গভর্নরসহ বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধ পাঠ করবেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। জানা গেছে, মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক (আরএমজি), টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস (ওষুধ), সিরামিকস, হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়াজাত পণ্য প্রদর্শন করা হবে। রপ্তানিকারকরা আশা করছেন, এই মেলার মাধ্যমে চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অবস্থান আরও সুসংহত হবে। মেলা চলাকালীন সারাবিশ্ব থেকে আসা ক্রেতা, দর্শনার্থী ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের ফলপ্রসূ মতবিনিময় হবে। প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা জানান, ওয়ান-টু-ওয়ান এবং বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এনএইচ/বিএ
Go to News Site