স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই নটাবাড়িয়া গ্রামে লোকচক্ষুর আড়ালে আব্দুল মোমিন নামে এক ব্যক্তি ভেজাল দুধ তৈরি করে বিভিন্ন দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্রে বিক্রি করতেন।