Somoy TV
ইনজুরি হলে ভিন্ন ব্যাপার। তবে সুস্থ অবস্থায় আইপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার করা মানা। কেউ এমনটি করলে তার জন্য দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা রেখেছে বিসিসিআই। ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক এখন এই শাস্তির আওতায়ই রয়েছেন। গত বছর দিল্লি ক্যাপিটালস কিনলেও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ব্রুক সরে দাঁড়ান।ইংল্যান্ড দলপতি দুই মৌসুম নিলামে নাম দিতে পারবেন না। তার নিষেধাজ্ঞার এই নজিরের পরও আইপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার করার ঘটনা থামেনি। সবশেষ সরে দাঁড়িয়েছন ব্রুকেরই জাতীয় দলের সতীর্থ বেন ডাকেট। ইংলিশ ওপেনারকে ২ কোটি রুপিতে দলে ভিড়িয়েছিল দিল্লি। জাতীয় দলের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবেন বলে গতকাল শুরু হওয়া টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে ডাকেট বলেন, ‘এটা ছিল খুবই কঠিন একটি সিদ্ধান্ত। দিল্লির সবার কাছে আমি ক্ষমা চাইছি যে আমি আসতে পারছি না। যখন আমি নিজেকে নিলামে তুলেছিলাম, তখন মনে হয়েছিল এটি একটি দারুণ সুযোগ। আর দিল্লির মতো একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির আমাকে দলে নেওয়া ছিল অসাধারণ অনুভূতি। আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত ছিলাম। এটি বিশ্বের সেরা প্রতিযোগিতা, যেখানে সেরা খেলোয়াড়রা খেলেন। এটি আমার জন্য দারুণ একটি অভিজ্ঞতা হতে পারত।’আরও পড়ুন: উদ্বোধনী ম্যাচেই কোহলির ব্যাটে ঝড়, হায়দরাবাদের চ্যালেঞ্জকে পাত্তাই দিল না বেঙ্গালুরুনাম প্রত্যাহার করা থামাতে কঠোর শাস্তির পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। তিনি মনে করেন, প্রস্তুতির কথা বললেও ডাকেট আসলে দ্য হান্ড্রেডে বড় অঙ্কে টাকায় দল পাওয়ায় আইপিএল থেকে সরে গেছেন।ইন্ডিয়া টুডে’কে গাভাস্কার বলেন, ‘এটা সত্যিই কঠিন একটি বিষয়। নিঃসন্দেহে, বেন ডাকেট অ্যাশেজ সিরিজে খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে। যদি দ্য হান্ড্রেডের নিলামে তাকে এত বড় অঙ্কে কেনা না হতো, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। বিষয়টা বোঝা যায়। দ্য হান্ড্রেডে ভালো দামে বিক্রি হওয়ার পর সে হয়তো আইপিএলকে মিস করে নিজের ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্যারিয়ারে মনোযোগ দিতে চেয়েছে।’তিনি যোগ করেন, ‘তবে হ্যাঁ। বিসিসিআইয়ের করণীয় ভাবা উচিত।। কারণ দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা স্পষ্টতই কাজ করছে না। এমন কিছু ভাবতে হবে, যার বাস্তব প্রভাব পড়বে। যতক্ষণ পর্যন্ত এটি খেলোয়াড়ের ওপর প্রভাব ফেলছে না এবং তার আইপিএলে ফিরে আসার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করছে না, ততক্ষণ এটি কার্যকর হবে না।’
Go to News Site