Collector
ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র | Collector
ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
Jagonews24

ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামের এই আন্দোলনের তৃতীয় দফায় দেশজুড়ে লাখো মানুষের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। আয়োজকদের দাবি, ইরান যুদ্ধ, কঠোর অভিবাসন নীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ। তারা বলেন, ট্রাম্প আমাদের ওপর স্বৈরশাসকের মতো শাসন করতে চান। কিন্তু এটি আমেরিকা—এখানে ক্ষমতা জনগণের, কোনো ‘রাজা’ বা ধনকুবেরদের নয়। তবে হোয়াইট হাউজের এক মুখপাত্র এসব বিক্ষোভকে ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন বলে উড়িয়ে দেন এবং দাবি করেন, এসব নিয়ে কেবল সংবাদমাধ্যমই আগ্রহী। শনিবার দিনভর নিউইর্য়ক সিটি, ওয়াশিংটন ডিসি, লস অ্যাঞ্জেলেস, বোসটনসহ প্রায় সব বড় শহরে বিক্ষোভ হয়। ছোট শহর ও এলাকাতেও সমাবেশ দেখা গেছে। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বিক্ষোভকারীরা শহরের কেন্দ্রস্থলে রাস্তায় নেমে আসেন। লিংকন মেমোরিয়াল সিঁড়ি এবং ন্যাশনাল মল এলাকায় হাজারো মানুষ জড়ো হন। আগের মতো এবারও বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করে তাদের অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানান। এই বিক্ষোভের অন্যতম কেন্দ্র ছিল সেট. পল, যেখানে হাজারো মানুষ রাজ্য ক্যাপিটল ভবনের সামনে জড়ো হন। সেখানে দুই মার্কিন নাগরিক হত্যার ঘটনার প্রতিবাদও উঠে আসে, যা চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। এসময় মঞ্চে ওঠেন সংগীতশিল্পী ব্রুস স্প্রিংসটেন এবং তার প্রতিবাদী গান পরিবেশন করেন। অন্যদিকে, টাইমস স্কায়ার এলাকাতেও হাজারো মানুষ সমবেত হয়ে ম্যানহাটনের রাস্তায় মিছিল করেন। জনসমাগমের কারণে পুলিশকে ব্যস্ত সড়কগুলো বন্ধ রাখতে হয়। তবে কিছু স্থানে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। লস অ্যাঞ্জেলেসে দুইজনকে ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বিভাগ। লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গের নির্দেশ না মানায় একাধিক গ্রেফতার করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নন-লেথাল বা প্রাণঘাতী নয় এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়া ডালাস শহরেও পাল্টা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। দেশের বাইরেও প্যারিস, লন্ডন ও লিসবনসহ বিভিন্ন শহরে প্রবাসী আমেরিকানরাও একই ধরনের বিক্ষোভে অংশ নেন। সূত্র: বিবিসি এমএসএম

Go to News Site