Collector
চলমান নৃশংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ আহ্বান | Collector
চলমান নৃশংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ আহ্বান
Jagonews24

চলমান নৃশংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ আহ্বান

১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ ভারতের পার্লামেন্টে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর এক প্রস্তাবে বাংলাদেশে চলমান পাকিস্তান সরকারের নৃশংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, পূর্ব বাংলায় সাত কোটি মানুষের অভ্যুত্থান সফল হবে এবং তাদের লড়াই ও ত্যাগ ভারতের জনগণের পূর্ণ সহানুভূতি ও সমর্থন পাবে। পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে লক্ষাধিক শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। আগের দিন কালুরঘাটে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলার পর চট্টগ্রাম থেকে একটি এক কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সমিটার প্রথমে পটিয়ায় নেওয়া হয়। পরে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের আগরতলায় সেটি পৌঁছে, যেখান থেকে অস্থায়ীভাবে কেন্দ্রের সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭১ সালে ভারতের পার্লামেন্ট ভবনে নিজ কার্যালয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী/ছবি: সংগৃহীত চট্টগ্রামের হালিশহরের নাথপাড়ায় পরিকল্পিত গণহত্যা চালানো হয়। পাকিস্তানি সেনা ও স্থানীয় সহায়করা মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ৭৯ জনকে হত্যা করে। ঢাকার নারিন্দা মঠেও হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচজন নিহত হন এবং মঠে লুটতরাজ হয়। কল্যাণপুর সেতুতে তল্লাশির নামে অনেক বাঙালিকে হত্যা করা হয়। ঢাকায় চারটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়- দৈনিক পাকিস্তান, পূর্বদেশ, দ্য পাকিস্তান অবজারভার ও দ্য মর্নিং নিউজ। পূর্বদেশে লেখা হয়, ‘শান্তিপ্রিয় বেসামরিক নাগরিকদের যেসব দুষ্কৃতকারী হয়রানি করছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ বিকেলে কুমিল্লা সেনানিবাসে চতুর্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৭০-৮০ বাঙালি সেনা পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে ছয় ঘণ্টা যুদ্ধ করে রেজিমেন্ট ইউনিট দখল করেন। কুষ্টিয়ায় কৃষক-পুলিশ-ইপিআরের সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা দল পাকিস্তানি বাহিনীর পাঁচটি অবস্থানে সফল হামলা চালিয়ে তাদের প্রতিরোধ ভেঙে দেয়। তথ্যসূত্র: রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদীর ‘৭১ এর দশমাস’ ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এমএএস/একিউএফ

Go to News Site