Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। হাম বেড়েছে ৭৫ গুণ - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে হামের উদ্বেগজনক বিস্তার ঘটেছে। এই সময়ে ৬৭৬ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭৫ গুণ বেশি। ২০২৫ সালের একই সময়ে আক্রান্ত ছিল মাত্র ৯ জন, ২০২৪ সালে ছিল ৬৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। যদিও বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে ৪১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ছয় কারণে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, হঠাৎ করেই দেশে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব। চাহিদার অনুপাতে টিকা মজুত না থাকা, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ সংকট, জনবল ঘাটতি, কর্মসূচিতে নজরদারির অভাব, টিকাদান কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ এবং নিয়মিত ক্যাম্পেইন না হওয়া-এসব কারণে দেশে হঠাৎ করে ছোঁয়াচে রোগ হাম ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ৯ মাসের কম বয়সিদের শরীরে হাম সংক্রমিত হওয়ায় অভিভাবক-স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ইতোমধ্যে দেশব্যাপী আতঙ্ক ছড়ানো বায়ুবাহিত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন মাসে অর্ধশতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।আট বছরে স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন কমেছে ৩৭ শতাংশ - দৈনিক বণিক বার্তায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে স্থানীয় উৎস থেকে দৈনিক গ্যাসের গড় উৎপাদন ছিল ২৬৩ কোটি ঘনফুট। তবে ২০১৮ সালে একদিনে গ্যাসের সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ২৭০ কোটি ঘনফুট। স্থানীয় গ্যাসের এ উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমেছে। গতকাল তা ১৭০ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। অর্থাৎ আট বছরের ব্যবধানে দেশে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন কমেছে ৩৭ শতাংশ। স্থানীয় উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে বিদেশ থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করে ঘাটতি মেটাতে হচ্ছে পেট্রোবাংলাকে। বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্য। ফলে এ অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।২০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি ভর্তুকি চায় বিদ্যুৎ বিভাগ - দৈনিক সমকালের প্রধান সংবাদ এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, উৎপাদন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র সংযুক্ত হওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ খাতে আর্থিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ মাসে অতিরিক্ত ২০ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। আরও ২ হাজার কোটি টাকা করে অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছে। নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখা, সেচ মৌসুম ও গ্রীষ্মকালীন চাহিদা মোকাবিলা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ অর্থ প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ। সম্প্রতি অর্থ বিভাগের কাছে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নতুন উৎপাদন ইউনিটগুলোর বকেয়া পরিশোধ এবং প্রাথমিক জ্বালানির ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে এই অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন।ডিজেল নিয়েই দুশ্চিন্তা - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ এটি।মার্চে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা গেলেও মজুত প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে। তাই এপ্রিলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ধরে রাখতে হলে ছুটি মেনে আমদানি নিশ্চিত করতে হবে। চাহিদার অতিরিক্ত অকটেন আসার নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানি তেল ডিজেল নিয়েই দুশ্চিন্তা বেশি। বিকল্প উৎস থেকে ডিজেল আমদানির চেষ্টা করছে সরকার। জ্বালানি তেল আমদানির কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির সূত্র বলছে, ২৯ মার্চ সরবরাহ শেষে ডিজেলের মজুদ আছে ১ লাখ ৩৩ হাজার টন। বর্তমান চাহিদার বিবেচনায় এটি ১০ দিনের মজুত। এপ্রিলে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। যদিও আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৯৩ হাজার টন ডিজেল আসতে পারে।
Go to News Site