Collector
সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিক্রির প্রস্তাব পাম্প মালিকদের | Collector
সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিক্রির প্রস্তাব পাম্প মালিকদের
Jagonews24

সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিক্রির প্রস্তাব পাম্প মালিকদের

সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিক্রির প্রস্তাব নিরাপত্তা জোরদারসহ সরকারের কাছে ৮ দফা পরামর্শ আতঙ্ক না ছড়িয়ে সচেতনতা ও ধৈর্যের আহ্বান দেশে পেট্রোল পাম্পে বাড়তি চাপ ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে নাগরিকদের সচেতন ও ধৈর্যশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়। সংগঠনটির আহ্বয়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পে ভিড় ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর কিছু অসাধু চক্র পাম্পে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যার ফলে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ভোগান্তি বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে পাম্পে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিক্রির সময়সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অনেক পেট্রোল পাম্পে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। অনেক জায়গায় চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ থাকলেও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে কোথাও কোথাও পাম্পে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি ও সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছে সংগঠনটি। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্য অপরিবর্তিত রেখে কিছুটা কৃচ্ছ্রসাধনের মাধ্যমে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হচ্ছে, যাতে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। এসময় সরকারের কাছে সংগঠনের পক্ষ থেকে ৮ দফা পরামর্শ দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে, ১. পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ২. বাস্তবতার নিরিখে সামঞ্জস্যপূর্ণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা। ৩. বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ ক্রেতাদের সচেতন ও ধৈর্যশীল থাকার আহ্বান। ৪. ট্যাংক শূন্য অবস্থায় পাম্পে ভিড় করা থেকে বিরত থাকা। ৫. পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা নির্ধারণ করা। ৬. উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সব পেট্রোল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদার করা। ৭. ডিপো থেকে ট্যাংকলরির চেম্বারের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী (যেমন ৪,৫০০ লিটার) তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা, যাতে পরিবহন ব্যয় না বাড়ে। ৮. সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা এবং অযথা পেট্রোল পাম্পে হামলা বা মালিকদের ওপর একতরফা দোষারোপ না করা। সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, সরকার যে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে, সেটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ এবং তারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। ইএআর/এসএনআর

Go to News Site