Collector
চিলমারী-রৌমারী রুটে সাড়ে ৪ মাস ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ | Collector
চিলমারী-রৌমারী রুটে সাড়ে ৪ মাস ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ
Somoy TV

চিলমারী-রৌমারী রুটে সাড়ে ৪ মাস ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ

নাব্যতা সংকটে প্রায় সাড়ে ৪ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী নৌপথে ফেরি চলাচল। এতে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় ব্রহ্মপুত্র নদ পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। আসছে না পণ্যবোঝাই ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহনও।এ দিকে নৌপথ ড্রেজিং করতে না পারলেও বর্ষায় নাব্যতা ফিরলে ফেরি চলাচল সচল করার আশ্বাস কর্তৃপক্ষের।সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নদে নেই প্রয়োজনীয় পানি, করা যাচ্ছে না ড্রেজিংও। তাই ঘাটে পড়ে আছে বিআইডব্লিউটিসি’র দুটি ফেরি ‘কদম’ ও ‘কুঞ্জলতা’। অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা।সংশ্লিষ্টরা জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও নিরাপদ করতে ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হয় কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে রৌমারী নৌপথে ফেরি চলাচল। এই রুটে ঢাকাসহ অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দূরত্ব অনেকটাই কমে যাওয়ায় বাড়তে থাকে পণ্যবোঝাই ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের চাপ। কিন্তু নদের নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় আসছে না কোনো যানবাহন।আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হুমকিতে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ যোগাযোগ!এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় চলাচল করছেন ব্রহ্মপুত্র দ্বারা বিচ্ছিন্ন জেলার রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার বাসিন্দাসহ অন্যান্য এলাকার যাত্রীরা। দ্রুত ফেরি চালুর দাবি জানান তারা।রৌমারী উপজেলার বাসিন্দা সুজাউদ্দৌল্লা জানান, ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রৌমারী রাজিবপুরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ফেরি চলাচল শুরু হলেও তা চার মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে করে আমরা দুই উপজেলার মানুষ খুবই দুর্ভোগ এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছি।কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী শাহিন আহমেদ জানান, ফেরি চালু থাকলে সোনাহাট স্থলবন্দরের পাথরবোঝাই ট্রাক ফেরি দিয়ে কম খরচে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে যেতে পারতো। এখন ফেরি বন্ধ থাকায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। আমরা চাই নদী খনন করে হলেও সারা বছর ফেরি চলাচল সচল রাখা হোক।আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকট: ৮ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত, ভোগান্তি চরমেচিলমারী-রৌমারী ফেরি ঘাটের সহকারী পরিচালক পুতুল চন্দ্র রায় জানান, স্থানীয় লোকজনের বাধার কারণে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীপথ সচল করা সম্ভব না হওয়ায় গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে বন্ধ ফেরি চলাচল। তবে বর্ষায় নদের নাব্যতায় ফেরি চালু করার কথা জানান এই কর্মকর্তা।জেলার চিলমারী উপজেলার রমনাঘাট থেকে রৌমারী উপজেলার রৌমারীঘাট পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের এ নৌপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২১ কিলোমিটার।

Go to News Site