Collector
এখনো খোঁজ মেলেনি কিটক্যাটের চুরি হওয়া ১২ টন চকলেটের, জানাল নেসলে | Collector
এখনো খোঁজ মেলেনি কিটক্যাটের চুরি হওয়া ১২ টন চকলেটের, জানাল নেসলে
Somoy TV

এখনো খোঁজ মেলেনি কিটক্যাটের চুরি হওয়া ১২ টন চকলেটের, জানাল নেসলে

১২ টনেরও বেশি কিটক্যাট চকলেট-বোঝাই একটি ট্রাক সম্প্রতি ইতালি থেকে পোল্যান্ড যাওয়ার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেছে। কিন্তু সেই ট্রাক এবং এতে থাকা চকলেট, কোনোটিরই এখনো খোঁজ মেলেনি।নেসলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইতালির একটি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে রওনা হওয়ার পর পরিবহনের সময় এই চালানটি হারিয়ে যায়। এতে ৪ লাখ ১৩ হাজারের বেশি কিটক্যাট বার ছিল, যা পোল্যান্ডে পৌঁছে ইউরোপের বিভিন্ন বাজারে বিতরণের কথা ছিল। কোম্পানিটি জানায়, ‘যানটি (ট্রাক) এবং এর মালামাল (চকলেট) এখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।’ এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে চুরির ঘটনার নির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ করা হয়নি। ‘সাধারণ কিটক্যাট নয়’ এ ঘটনাকে যে বিষয়টি আরও অদ্ভুত করে তুলেছে তা হলো, চুরি হওয়া চকলেটগুলো ‘সাধারণ কিটক্যাট’ নয়। এগুলো ছিল ‘ফর্মুলা ওয়ান’ থিমে তৈরি বিশেষ সংস্করণ, যেখানে রেসিং কারের ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে পুরো ঘটনাটিকে অনেকটা সিনেমার মতো মনে করছেন অনেকে, যেন কোথাও কেউ রেসিং-থিমের বিশাল এক চকলেট ভাণ্ডার লুকিয়ে রেখেছে।  আরও পড়ুন: কিটক্যাটের ১২ টন চকলেট চুরি, ট্রাকও গায়েব বাজারে ঢুকে পড়ার আশঙ্কা নেসলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, চুরি হওয়া পণ্যগুলো ইউরোপের বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক বাজারে বিক্রি হয়ে যেতে পারে। তবে এগুলো শনাক্ত করা সম্ভব বলেও জানিয়েছে তারা। বলা হচ্ছে, চকলেটের প্রতিটি প্যাকেটে আলাদা ব্যাচ কোড রয়েছে। খুচরা বিক্রেতা, পাইকারি ব্যবসায়ী এবং ভোক্তারা এই কোড স্ক্যান করে বুঝতে পারবেন পণ্যটি চুরি হওয়া চালানের অংশ কি না। কোনো মিল পাওয়া গেলে কী করতে হবে, সে সম্পর্কেও নির্দেশনা দিয়েছে কোম্পানিটি। রসিকতা থেকে সতর্কবার্তা নেসলে প্রথমে কিছুটা রসিকতার সুরে জানায়, “আমরা সবসময় মানুষকে কিটক্যাট নিয়ে একটু বিরতি নিতে বলি। কিন্তু মনে হচ্ছে চোরেরা বিষয়টি একটু বেশি আক্ষরিকভাবে নিয়েছে এবং ১২ টনের বেশি চকলেট নিয়েই ‘বিরতি’ নিয়েছে।”  তবে পরে কোম্পানি বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে জানায়, আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনে কার্গো চুরি একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা হয়ে উঠছে। তারা উল্লেখ করে, ‘অপরাধীরা ক্রমেই আরও জটিল পদ্ধতি ব্যবহার করছে।’ কেন প্রকাশ্যে আনা হলো নেসলে জানিয়েছে, এই ঘটনা গোপন না রেখে প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য। এতে চুরি হওয়া পণ্য উদ্ধার করা সহজ হতে পারে বা অন্তত এগুলো পুনরায় বিক্রি করা কঠিন হবে। ব্যাচ-কোড ট্র্যাকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বাজারে যদি এসব চকলেট আসে, তাহলে তা শনাক্ত করে মূল ঘটনার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। আরও পড়ুন: হার্টের অসুখ থাকলে ডার্ক চকলেট কতটা উপকারী? এখনো নিখোঁজ সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ট্রাক এবং চুরি হওয়া চকলেট এখনো উদ্ধার করা যায়নি। অর্থাৎ চার লাখের বেশি ফর্মুলা ওয়ান থিমের কিটক্যাট বার এখনো অজানা স্থানেই রয়েছে। ইউরোপের দোকানে এমন কোনো চকলেট দেখা গেলে ব্যাচ কোড পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে নেসলে। সূত্র: মিয়ামি হেরাল্ড

Go to News Site