Collector
‘টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল’, ‘স্পর্শকাতর তথ্য মিলেছে ইলিয়াস আলী গুমের’ | Collector
‘টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল’, ‘স্পর্শকাতর তথ্য মিলেছে ইলিয়াস আলী গুমের’
Somoy TV

‘টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল’, ‘স্পর্শকাতর তথ্য মিলেছে ইলিয়াস আলী গুমের’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় বুধবার (১ এপ্রিল) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। স্পর্শকাতর তথ্য মিলেছে ইলিয়াস আলী গুমের - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী গুমের নেপথ্যে কারা ছিলেন, কার নির্দেশে কোন কোন কর্মকর্তা গুমের মিশনে অংশ নেন-এমন অনেক স্পর্শকাতর তথ্য বের হয়ে আসছে। এ বিষয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ।  রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ইলিয়াস আলী গুমের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে র‌্যাব। ঘটনার আগে ও পরে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান ও র‌্যাবের তৎকালীন ডিজির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন শেখ হাসিনা। র‌্যাব-১কে দিয়ে তুলে আনা হয় ইলয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালককে। ওই অভিযানে থাকা কর্মকর্তাদের অনেকে এখনো দেশেই অবস্থান করছেন, এমন দাবিও করেছেন মামুন খালেদ।মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটের আশঙ্কা - দৈনিক বণিকবার্তার শেষ পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় মরুভূমির দেশগুলোতে তেলের চেয়েও পানিই বেশি মূল্যবান বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে। সেখানে মাটির নিচে জ্বালানি ভান্ডার থাকলেও পানির জন্য তাকিয়ে থাকতে হয় সমুদ্রের দিকে। সে পানির উৎসই এখন যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। চলমান সংঘাতে ডেসালিনেশন প্লান্টগুলোতে হামলা ও ধ্বংসের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যকে ঠেলে দিচ্ছে এক নতুন বাস্তবতায়। যেখানে তেলের পর জীবন ধারণের মৌলিক উপাদান পানিও হয়ে উঠছে কৌশলগত অস্ত্র। বিশ্লেষকরা বলছেন, ডেসালিনেশন প্লান্টে হামলা ও ধ্বংসের হুমকি এমন এক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে লাখো মানুষ অল্প সময়েই নিরাপদ পানির বাইরে চলে যেতে পারে। এতে তৈরি হতে পারে বড় ধরনের মানবিক সংকট।দেশজুড়ে আইসিইউ হাহাকার - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিইউ শয্যা পেতে অপেক্ষমাণ তালিকায় নাম লিখিয়েছিল রাজশাহীর ৫১টি শিশু। কিন্তু সেই অপেক্ষা যেন ফুরায় না। একদিন সিরিয়াল এসেছিল ঠিকই, তার আগে একে একে সব শিশুর নাম লেখা হয় মৃতদের তালিকায়। এটি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০ মার্চ থেকে টানা ১৮ দিনের চিত্র।  আইসিইউ সংকটের এই নির্মম বাস্তবতা দেখা দিয়েছে সারা দেশে। কভিড-১৯ মহামারির সময় কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা আইসিইউ অবকাঠামো এখন অচল। শয্যা না পেয়ে প্রতিদিনই ঝরছে প্রাণ।টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল - দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার সংবাদ এটি।প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেয়া কিছু সিদ্ধান্ত সব ধরনের টিকা কেনায় বিলম্ব ঘটিয়েছে। সম্প্রতি হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)। ইপিআই কর্মকর্তারা বলেছেন, হাম-রুবেলার জাতীয় ক্যাম্পেইনের টিকা হাতে এসেছে, সিরিঞ্জ আসেনি। দেশব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু করতে দেড়-দুই মাস সময় লেগে যাবে।  শিশুদের নিয়মিত টিকা দেয়া নিশ্চিত না করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং দাতা সংস্থা সময় ব্যয় করেছে টিকা কেনার প্রক্রিয়া কী হবে, তা ঠিক করতে। সরকার সরাসরি টিকা কিনবে নাকি ইউনিসেফের সহায়তা নেবে, আর্থিক লাভ-লোকসান কী হবে-এসব নিয়ে। এতে টিকার মজুত ফুরিয়েছে। জাতীয় ক্যাম্পেইনের সময় পেছাতে হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা কিনতেই আসলে গাফিলতি। ১/১১ জমানার ভোট: বাড়তি ব্যালট ছাপার অভিযোগ, কাঠগড়ায় যারা - দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক/এগারোর জমানায় হওয়া নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শুরুতে মোটা দাগে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক ফ্যাসিবাদী শাসন ওই প্রশ্নকে অনেকটা চাপা দিয়েছিল। দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পেছনে মূলত ২০০৮ সালের ওই নির্বাচন ছিল বড় নিয়ামক। নানা কৌশলে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানো এবং বিরোধী দল হিসেবেও বিএনপিকে ক্ষমতাহীন অবস্থায় রাখার পরিকল্পনা করেছিল সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।  এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকায় ছিলেন তৎকালীন ডিজিএফআই ও সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা। যাদের কয়েকজন ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর বাইরে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের একটি অংশ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছিল। সম্মিলিত এই পরিকল্পনার ফলে আওয়ামী লীগ তথাকথিত ভূমিধস জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসে। ২৯টি আসন নিয়ে বিরোধী দলের সারিতে বসতে হয় বিএনপিকে। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে বিতর্কিত ওই নির্বাচনের পরিকল্পনার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনছেন।ডিজেল সংকটে উপকূলের লাখো জেলে কর্মহীন - দৈনিক সমকালের প্রধান সংবাদ এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর এলাকার জেলে রণজিৎ চন্দ্র দাস সাত দিন ধরে নৌকা ঘাটে বেঁধে বসে আছেন। নদী আছে, জাল আছে, ইঞ্জিনও আছে; কিন্তু নেই ডিজেল। এই অভাবই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সংকটে পরিণত হয়েছে।   নিজের দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে রণজিৎ বলেন, ‘নতীতীরের হাটবাজারে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে লিটারপ্রতি ৬০-৭০ টাকা বেশি দামে কিনে নদীতে যাচ্ছে। কিন্তু সেই খরচ তোলা সম্ভব না।’

Go to News Site