Jagonews24
কিশোরগঞ্জ সদরে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক যুবদল নেতাকে তার নিজ রেস্টুরেন্ট থেকে তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলার কাটাবাড়িয়া এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই যুবদল নেতাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই যুবদল নেতার নাম বাবুল। তিনি উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক। অপরদিকে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা শহীদুল ইসলাম শহীদ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। আহত যুবদল নেতা বাবুলের অভিযোগ, শহীদুল ইসলাম শহীদের নির্দেশে তার অনুসারীরা তাকে রেস্টুরেন্ট থেকে ফিল্মি কায়দায় তুলে নিয়ে যায়। এরপর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়, যার ফলে তর একটি হাত ও একটি পা ভেঙে যায়। বাবুল আরও দাবি করেন, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকেন্দ্রিক একটি চক্র সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল। সম্প্রতি তার দোকান থেকে ৬ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিষয়টি থানায় অবহিত করেন তিনি। এরই জের ধরে তার ওপর এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী বাবুলের বাবা মো. হাদিস মিয়া বাদী হয়ে বিএনপি নেতা শহীদুল ইসলাম শহীদকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সৈয়দ শাহ আলম। তিনি বলেন, বাবুলকে তার রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার সময় ফিল্মি কায়দায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে একটি হাত ও একটি পা ভেঙে দেওয়া হয়। আমরা অবিলম্বে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, তার সঙ্গে বাবুলের কোনো বিরোধ নেই এবং তিনি চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নন। তিনি দাবি করেন, এটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম ভুঁইয়া বলেন, হামলার ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এসকে রাসেল/কেএইচকে/জেআইএম
Go to News Site