Somoy TV
হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ৭ থেকে ১৪ দিন পর প্রকাশ পায়। হামের প্রধান লক্ষণ হলো তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত), সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং এরপর সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া। সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের ১০-১৪ দিন পর লক্ষণগুলো দেখা দেয়। এর আগে মুখে, বিশেষ করে গালে, ছোট সাদা দাগ (Koplik spots) দেখা যেতে পারে।যে কোনো বাচ্চা অসুস্থ হলে বাবা-মা চিন্তিত হয়ে পড়েন কোন কোন খাবার খাওয়ানো যাবে অথবা খাদ্যতালিকা থেকে কোন কোন খাবার বাদ দিতে হবে। হাম হলে আপনার বাচ্চাকে কোন কোন খাবার খাওয়াবেন, আর কোন কোন খাবার বাদ দেবেন আসুন জেনে নিই- হাম হলে যেসব খাবার বাদ দিতে হবে১. হাম হলে প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিতে হবে। এগুলো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দিতে পারে। এ জন্য সুস্থ হয়ে উঠতে সময় লাগতে পারে বেশি। অনেকেই মনে করেন বাচ্চা কিছু খাচ্ছে না চিপস খেতে চাচ্ছে, একটা চিপস দিয়ে দেই। কিন্তু এটা করলে আরও ক্ষতি হতে পারে। আরও পড়ুন: কীভাবে হাম প্রতিরোধ করা যায়?২. চর্বিযুক্ত ও ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। এগুলো হজম করা কঠিন হতে পারে এবং পরিপাকতন্ত্রের উপসর্গগুলোকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।৩. ঝাল খাবার গলা ও মুখে অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে, ফলে কাশি ও গলাব্যথার মতো উপসর্গগুলো আরও বেড়ে যায়। আরও পড়ুন: হাম কীভাবে ছড়ায় এবং লক্ষণ কী?৪. ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় বাদ দিতে হবে। বড়দের ক্ষেত্রে অনেকেই মনে করেন গরম চা বা কফি খেয়ে ভালো থাকতে পারবেন। কিন্তু এটা খেলে জটিলতা আরও বাড়তে পারে। তাই এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। এ ধরনের খাবার শরীরে পানিশূন্যতার কারণ হতে পারে। আরও পড়ুন: হামের সংস্পর্শে এলে কী করবেন?হাম হলে যেসব খাবার খাওয়াবেন১. গরম স্যুপ খাওয়াতে পারেন। বাচ্চার জন্য খুবই উপকার হতে পারে। চিকেন বা ডিমের সাদা অংশ দিয়ে করতে পারেন। তবে বাড়তি কোনো মশলা দেয়া যাবে না। প্রসেস করা মশলা কিন্তু ভালো না।২. ডাবের পানি, ফল ও ফলের জুস খাওয়াতে পারেন। প্রাকৃতিকভাবে বাসায় তৈরি করতে হবে। প্রয়োজন হলে একটু চিনি দিতে পারেন। কারণ এ সময় ক্যালোরির চাহিদা একটু বেশি থাকে। ডায়বেটিসের ইস্যু না থাকলে চিনি খাওয়ানোর নিষেধ ধাকবে না।৩. খাবারের তালিকায় গাজর রাখা যেতে পারে। পেটের সমস্যা না থাকলে মিষ্টি কুমড়া দিতে পারেন। বাচ্চাকে এগুলো দিয়ে সবজি তৈরি করে খিঁচুড়ি খাওয়াতে পারেন।সতর্কতা: হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে। হামের কারণে নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন বা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো গুরুতর জটিলতা হতে পারে। আপনার বা আপনার শিশুর মধ্যে এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং টিকা দান নিশ্চিত করুন।
Go to News Site