Somoy TV
ইসরাইলে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আজ বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে দক্ষিণ ইসরাইলের ‘স্পর্শকাতর কয়েকটি স্থান লক্ষ্য’ করে ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে।হুথি সংশ্লিষ্ট আল মাসিরাহ টিভিতে প্রচারিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে সমন্বয় করে এ অভিযান চালানো হয়েছে। ইরান যুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়ার পর ইসরাইলের এটা হুথির তৃতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের মাথায় গত শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে দক্ষিণ ইসরাইলের দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে লড়াইয়ে যোগ দেয় গোষ্ঠীটি। হামলার পর দেয়া বিবৃতিতে হুথি আরও বলেছে, লেবানন, ইরান, ইরাক এবং দখলকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও ‘ভয়াবহ’ করে তোলা হবে। আরও পড়ুন: কাতারের তেলের ট্যাংকারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরাইলি সেনাবাহিনীও হুথির ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে তাদের দাবি, ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ধ্বংস করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ইসরাইলি আকস্মিক হামলা চালায়। প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণহত্যার যুদ্ধ শুরু করে ইসরাইল। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতির অংশ হিসেবে এক মাস পর নভেম্বর থেকে ইসরাইল এবং সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে হুথি গোষ্ঠী। আরও পড়ুন: ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১০ নার্স নিহত এরপর তারা ইসরাইলের দিকে বহু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে, যার জবাবে ইসরাইল ইয়েমেনে হুতি অবস্থান লক্ষ্য করে নজিরবিহীন হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন হুথি নেতাসহ বহু বেসামরিক নাগরিক হতাহত হন। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর থেকে হুথিরা ইসরাইলের ওপর হামলা বন্ধ করে। এরপর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইলি-মার্কিন আগ্রাসন শুরু হলে আবারও হুঙ্কার দেয় হুথি।
Go to News Site