Collector
৪৬৫৩ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন উপযোগী, কবে হচ্ছে ভোট? | Collector
৪৬৫৩ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন উপযোগী, কবে হচ্ছে ভোট?
Somoy TV

৪৬৫৩ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন উপযোগী, কবে হচ্ছে ভোট?

চলতি বছরই নির্বাচন উপযোগী হচ্ছে স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৬৫৩টি প্রতিষ্ঠান। দলীয় না নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হবে- এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ। এরপরই নির্বাচন আয়োজন করবে ইসি। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভোট নির্দলীয় হলে সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহজ হবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ২০২৪ সালে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার নির্বাচিত সভা ভেঙে দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। তবে ইউনিয়ন পরিষদ ভেঙে না দিলেও আত্মগোপনে চলে যান ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানরা। তাই নির্বাচিত নেতৃত্বশূন্য রয়েছে বেশিরভাগ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।ইসির তথ্য অনুযায়ী, ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে এ বছর নির্বাচন উপযোগী হবে ৩ হাজার ৭৫৫টি। আগামী বছর হবে আরও ৩৪৯। এছাড়া, ভেঙে দেয়া ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা, ১২টি সিটি করপোরেশন ও ৬১টি জেলা পরিষদে নির্বাচন হতে পারে এখনই।চলতি বছর ও আগামী বছরের মধ্যে বেশিরভাগ নির্বাচন হয়ে যাবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।তিনি বলেন, ‘কমিশন বিচার-বিবেচনা করে, সংশ্লিষ্ট সব ধরনের আইনকানুনের ওপর ভিত্তি করেই সব সিদ্ধান্ত নেবো। ইচ্ছা করলে আমরা অল্প সময়ের ভেতর সব নির্বাচন করতে পারবো, সে সক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।’আরও পড়ুন: সংরক্ষিত আসনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধি আসতে পারেন: মির্জা ফখরুলস্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বাদ দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছিল ড. ইউনূস সরকার। ক্ষমতাসীন দল বলছে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে সংসদে। তবে সহিংসতা কমাতে নির্দলীয় প্রতীকে ভোটের পক্ষে বিশ্লেষকদের অনেকে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে তাদের যে গ্রুপিং সেটা জেগে উঠবে এবং বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর সহিংসতা দেখা দিবে। আর দলীয় প্রতীকের বাইরে নির্বাচন হলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রেও নিরপেক্ষ থাকা যাবে।’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘নির্দলীয় যারা স্থানীয় সরকারের কাছে সেবা নেয়, তাদের জন্য তখন ইকুয়্যাল এক্সেস থাকে। নির্দলীয় হলে সেবার মান রক্ষা করা সহজ হয়।’দলীয় প্রতীকে ভোট না হলে যোগ্য প্রার্থীরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা।

Go to News Site