Somoy TV
আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষ কথিত কর জালিয়াতির অভিযোগে দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া এবং কোষাধ্যক্ষ পাবলো তভিগিনোর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছে।আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে একটি বিচারিক তদন্তের অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যা সম্ভাব্য কর সংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে তদন্ত করছে। এই রায়ে ক্লদিও তাপিয়া ও পাবলো তোভিগিনোর পাশাপাশি সংস্থার আরও কয়েকজন কর্মকর্তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।বিচারিক রায় অনুযায়ী, বিচারক দিয়েগো আমারান্তে ৩৫০ মিলিয়ন পেসো জব্দের (এমবার্গো) নির্দেশ দিয়েছেন। মামলাটি মূলত কর ও সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।এই তদন্ত শুরু হয় জেনারেল ট্যাক্স ডিরেক্টরেটের দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে, যা কাস্টমস রেভিনিউ অ্যান্ড কন্ট্রোল এজেন্সির অংশ। মামলার নথি অনুযায়ী, গত দুই বছরে ১৯ বিলিয়ন পেসোরও বেশি পরিমাণ বকেয়া অবদান না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আরও পড়ুন: অর্জন ধরে রাখতে পুরো দেশকে এক থাকতে হবে: ডি পলমামলার কেন্দ্রে রয়েছে কর ও সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত তহবিল ব্যবস্থাপনা, যা অভিযোগ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয়নি।এই অভিযোগ সংস্থার আরও কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও আনা হয়েছে, যেমন গুস্তাভো লরেঞ্জো, ক্রিস্টিয়ান মালাসপিনা এবং চিক্তর ব্লাঙ্কো, যারা সংস্থার বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন। এএফএ'র সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। ছবি: সংগৃহীতমামলার অংশ হিসেবে তাপিয়া আদালতে লিখিত জবাব জমা দিয়েছেন, যেখানে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে তদন্তাধীন বিষয়গুলোর সঙ্গে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই এবং সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও তার ছিল না।অন্যদিকে, এএফএ জানিয়েছে যে তারা সব কর সংক্রান্ত ঘোষণা যথাযথভাবে জমা দিয়েছে এবং পরে প্রযোজ্য সুদসহ বকেয়া অর্থ পরিশোধ করেছে। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে যে কর কর্তৃপক্ষ তাদের ওপর কোনো অতিরিক্ত জরিমানা আরোপ করেনি।আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের ৪৮ দল কে কোন গ্রুপেঅভিযোগ ও সম্পদ জব্দের পাশাপাশি, আগেই আরোপিত কিছু বিধিনিষেধও বহাল রাখা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে তাপিয়া ও তোভিগিনোর দেশের বাইরে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা।মামলাটি বর্তমানে অর্থনৈতিক অপরাধ আদালতে তদন্তাধীন রয়েছে এবং অভিযোগের দায় নির্ধারণের জন্য কার্যক্রম চলমান আছে।
Go to News Site