Collector
গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্ট | Collector
গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্ট
Somoy TV

গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্ট

গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে স্মরণ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একই সাথে ৩৪ জন জাতীয় নেতা যেবার কারাগারে গেল, তারা ইলিয়াস আলীর গুমের বিরুদ্ধে, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল।বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি এ স্ট্যাটাসটি দেন। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ২০১২ সালের কথা বলছি! ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে ব্যক্তিগত গাড়িচালকসহ নিখোঁজ হন বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী।ওই স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে একজন ব্যবহারকারী লিখেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী অবস্থানই ইতিহাস গড়ে। ২০১২ সালের সেই কঠিন সময়ে যারা ভয়কে জয় করে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, তাদের দৃঢ়তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেন, নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর সন্ধানের দাবিতে, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে যে সংগ্রাম হয়েছিল-তা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ন্যায়বিচারের পথ কখনো সহজ নয়, কিন্তু তা-ই সবচেয়ে সঠিক পথ।স্ট্যাটাসের নিচে আরেকজন লিখেন, দেশের সামরিক খাতের দিকে দয়া করে একটু নজর দিন। মিয়ানমারের মতো ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশ যারা দীর্ঘ ৩ যুগেরও বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত তারাও বাংলাদেশ থেকে অনেক এগিয়ে আছে। তাদের নিজস্ব মিসাইল তৈরির ব্যবস্থা আছে। ৭০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরে গিয়ে তাদের মিসাইল আঘাত হানতে পারবে! আর আমাদের?? Nothing. যা আছে তাও অন্য দেশ থেকে ক্রয় করা মাল। আমরা অরক্ষিত বোধ করছি।আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর শেষ পরিণতি কী হয়েছিল জানা গেলমির্জা ফখরুলে অন্য আরেকজন ফলোয়ার লিখেন, আজও কি সেই অপহরণকারীদের ধরা সম্ভব হয়েছে, এর সাথে কারা কারা জড়িত আছে তাদের লিস্ট তৈরি করে গোয়েন্দা অধিদফতরের কাছে পাঠিয়ে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করুন। জাতি প্রতি মুহূর্তে এসব তথ্য জানতে চায়।২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে ব্যক্তিগত গাড়িচালকসহ নিখোঁজ হন বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী। ওই সময় ডিজিএফআইর মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ।সেনাবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মিরপুর মডেল থানার এক হত্যা মামলায় গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে এক-এগারোর সরকার ও পরে আওয়ামী লীগ আমলের নানা অপকর্মের হোতাদের তথ্য দিচ্ছেন মামুন খালেদ।ইলিয়াস আলী গুমের বিষয়ে শেখ মামুন খালেদ গোয়েন্দাদের কাছে বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও জেরার একপর্যায়ে স্বীকার করেছেন গুমের অভিযানের সময় ডিজিএফআইর দুজন মেজর প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার আরও কয়েকজন কর্মকর্তা বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন।

Go to News Site