Somoy TV
সামরিক জোট ন্যাটোকে আবারও ‘কাগজের বাঘ’ বলে অভিহিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে সরিয়ে নেয়ার কথা জোরালোভাবে বিবেচনা করছেন।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ‘(ন্যাটো) এখন অচেনা হয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি ন্যাটোর দ্বারা কখনও প্রভাবিত হইনি। আমি সবসময়ই জানতাম যে তারা একটা কাগুজে বাঘ এবং প্রসঙ্গত, (রুশ প্রেসিডেন্ট) পুতিনও তা জানেন।’ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। যার ফলে বিশ্ব তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। তেহরান বলছে, ‘শত্রু’ দেশ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রদের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পার হতে দেয়া হবে না। তবে চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি ‘বন্ধুপ্রতীম’ দেশকে এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ পারাপারের অনুমতি দিয়েছে ইরান। আরও পড়ুন: ‘হরমুজ প্রণালী থেকে জেট ফুয়েল নেন’, মিত্র দেশগুলোকে ট্রাম্পের খোঁচা এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করতে মিত্র দেশগুলো বিশেষ করে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প। কিন্তু বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ইরান যুদ্ধে না জড়াতে শক্ত অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় মিত্ররা। এতে বেজায় ক্ষেপেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘সেখানে (ইরান যুদ্ধে তাদের) না থাকাটা তো অবিশ্বাস্য। আর আমি খুব বড় কোনো তাগিদও দিইনি। আমি শুধু বলেছিলাম, ‘ওহে’, বুঝলেন, আমি খুব বেশি জোর করিনি। আমি শুধু মনে করি, এটা তাদের নিজের থেকেই হওয়া উচিত ছিল।’ তিনি আরও বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনসহ সেইসব দেশের পাশে থেকেছে যাদের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, যদিও তা ‘আমাদের সমস্যা ছিল না’। যুক্তরাজ্যকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন: ‘আপনাদের তো নৌবাহিনীই নেই। আপনারা অনেক পুরনো এবং আপনাদের যে বিমানবাহী রণতরীগুলো ছিল সেগুলোও কাজ করে না।’ আরও পড়ুন: ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলার আইনি ভিত্তি নেই: সাবেক ন্যাটো প্রধান
Go to News Site