Collector
চার বছরে ৪ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, সংসদে প্রধানমন্ত্রী | Collector
চার বছরে ৪ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, সংসদে প্রধানমন্ত্রী
Somoy TV

চার বছরে ৪ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জনগণের সরকার জনগণের কল্যাণেই সরকারি অর্থ খরচ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এমন বার্তাই দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের ধন্যবাদ। যারা ভোট দেননি, আমার পবিত্র দায়িত্ব তাদেরও প্রতিনিধিত্ব করা। জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিতে সরকার আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থ বিছর এবং ৫ বছরের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ সময় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি। প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যক্তি নয়, পরিবারের উন্নয়ন ফ্যামিলি কার্ডের মূল দর্শন। এর মাধ্যমে পরিবার এবং সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি হবে। ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার ৮১৪ নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হয়েছে। বাকি ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবার আসবে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায়। আর আগামী ৪ বছরে ৪ কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে। কৃষকের সার্বিক কল্যাণেও কৃষি কার্ডের পাইলট টিম কাজ করছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কৃষক কার্ড পহেলা বৈশাখে চালু হবে। ১০ জেলায় ২২ হাজার কৃষক পাইলট প্রজেক্টের আওতায় আসবে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সব কৃষকের কাছে চেষ্টা করবো কৃষক কার্ড পৌঁছানোর। আরও পড়ুন: পদোন্নতি বঞ্চিত ১৮২১ চিকিৎসকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর তবে এসবের বাজেট বিষয়ে এখনই কিছু বলতে চাইছেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার্ডের বাজেট কত এখনই বলছি না। তবে কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রত্যেকে মাসে পাবেন আড়াই হাজার টাকা। কার্ডের মাধ্যমে দেয়া এই টাকা অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কোনো টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, ফলে মূল্যস্ফীতি হবে না। এই টাকা যারা পাবে, তারা টাকা পাচার করবে না। লোকাল অর্থনীতিতেই যুক্ত হবে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। আরও পড়ুন: সংসদ অধিবেশনেও দায়িত্বে সচেতন, পত্রিকায় চোখ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কৃষকদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ইশতেহার পালনের অংশ হিসেবে ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে এরইমাঝে। এ সময় শ্রমিকদের জন্য কার্ড দেয়ার পরিকল্পনা নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের জন্য সরকারি যে অর্থ আছে, তা সঠিকভাবে শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে কিনা তা আমরা দেখবো।  ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এছাড়া ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন হবে।

Go to News Site