Somoy TV
জুলাই সনদ কার্যকর এবং গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারে রাজপথে নামার কথা ভাবছে ১১ দলীয় ঐক্য। এনিয়ে শনিবার (১১ এপ্রিল) জরুরি বৈঠক ডেকেছেন জোটের শীর্ষ নেতারা। রাজধানীতে বড় কর্মসূচি ঘোষণার ভাবনাও আছে তাদের। তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংকট সমাধানে সংসদের সিদ্ধান্তেই প্রাধান্য দেয়ার কথা বলছেন দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা।সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান তথা গণভোট ও জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে, আইনসভায় পাল্টাপাল্টি অবস্থানে সরকার ও বিরোধীদল। সংবিধান সংশোধনে সরকার সাংবিধানিক পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী হলেও, বিরোধীদলের দাবি সংস্কারে গুরুত্ব পাক গণভোটের ফলাফল।গণভোটের রায় নিয়ে চলমান মতনৈক্য, সংসদেই সমাধান করতে আগ্রহী জামায়াতসহ ১১ দলের নেতারা। তবে এর ব্যত্যয় ঘটলে সম্ভাব্য বিকল্প পথ ও পদ্ধতি নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে বিরোধীদলীয় এই ঐক্য।জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই বিতর্ক পার্লামেন্টে হয়ে যায় আমরা ওটাই চাচ্ছি। পার্লামেন্ট যখন ছিল না তখন রাজপথ ছিল। এখন তো দুইটাই আছে। আমরা পার্লামেন্টে চেষ্টা করছি। হয়ে গেলে সমাধান। রাজনৈতিক বিতর্ক পার্লামেন্টে হওয়াই উচিত।আরও পড়ুন: সরকারি দল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে না: জামায়াত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হওয়াটাই জনস্বার্থের পক্ষের কাজ। বর্তমান সরকার যদি গণভোট নিয়ে তামাশা করে, প্রতারণা করে, বিশ্বাসঘাতকতা করে এটাই বিএনপির জন্য একটা কাল হয়ে দাঁড়াবে।এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আসছে শনিবার, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদীয় আলোচনার পাশাপাশি, রাজপথ থেকেও সরকারকে চাপে রাখতে বিভিন্ন কর্মসূচি মাথায় রেখে এগোনোর পরিকল্পনা জোটের।জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, জনস্বার্থের পরিপন্থি কোন কাজ যদি সরকার করে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তালবাহানা করে তাহলে রুখে দাঁড়াব।জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বেশক'টি দাবিতে প্রাথমিকভাবে ২৪ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের কথাও ভাবছে, ১১ দলীয় ঐক্য। এছাড়া, আরো একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে সাংগঠনিক প্রস্তুতির পথে সংসদে বিরোধী শিবিরের নেতারা।
Go to News Site