Somoy TV
বরিশাল বিভাগে সবথেকে বেশি হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে বরগুনায়। জেলায় এখন পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে আসা ৯৮ জনের মধ্যে ১৮ জনের হাম এবং একজনের রুবেলা শনাক্ত হয়েছে।এ ছাড়া হাম সন্দেহে নতুন করে তিন বৃদ্ধকেও বরগুনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে ৬২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হাঁচি-কাশি এবং স্পর্শের মাধ্যমে হাম সংক্রমিত হচ্ছে। হাম আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য জেলায় ৩৭টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।আরও পড়ুন: হামে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন কারা?হাসপাতালে আরিফ নামের এক শিশুর অভিভাবক বলেন, এখন একটু সুস্থ। আগে অনেক কষ্ট পেয়েছে। কোনো কিছু খেতে পারতো না। মুখে ক্ষত হয়েছিল। এখন খাবার খাচ্ছে। সমস্ত শরীরে কি যেন উঠেছে। আমরা অনেকদিন ধরে হাসপাতালে। হামের টিকার এক ডোজ ব্যতীত বাকি সব ডোজ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।ফাতিহা নামের এক শিশুর মা বলেন, ‘জ্বরসহ বেশ কিছু উপসর্গ দেখা দিয়েছিল আমার বাচ্চার। পরে বাহিরে ডাক্তার দেখিয়েছি, কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। তাই গতকাল হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এখন বাবু একটু সুস্থ। ওর জ্বর, সর্দি, কাশি। আর সমস্ত শরীরে অ্যালার্জির মতো কি যেন উঠেছে।’আরও পড়ুন: হাম: মাদারীপুরে শিশুর মৃত্যুতে বেড়েছে আতঙ্ক, হাসপাতালে ভর্তি ১১এ বিষয়ে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডাঃ মেহেদী পারভেজ বলেন, ‘বরগুনায় প্রায় এক মাস ধরে হামের প্রকোপ চলছে। প্রতিদিনই বহির্বিভাগে অন্তত ২০ জন হামের উপর্সগ নিয়ে রোগী আসেন। এদের মধ্যে যারা একটু সুস্থ তাদের বাসায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হচ্ছে। আর যারা অসুস্থ তাদের হাসপাতালে ভর্তি দেয়া হচ্ছে।তিনি আরও বলেন. ‘যেসব রোগীদের শ্বাসকষ্ট থাকে এবং নড়াচড়া কম করে তাদের আমরা অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করি। বহির্বিভাগ এবং আন্ত বিভাগ; দুই বিভাগেই হাম রোগীর অনেক চাপ। হাম সংক্রামক ব্যাধি। কাশি এবং স্পর্শের মাধ্যমে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।’
Go to News Site