Somoy TV
ঝালকাঠিতে জেলেদের জালে ধরা পড়া ২৫ মন ওজনের সেই খটক মাছটি (স্থানীয়ভাবে করাতি হাঙর নামেও পরিচিত) কেটে বিক্রির সময় অভিযান পরিচালনা করেছে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন। তবে খবর পেয়ে পালিয়ে যান বিক্রেতারা। খাবার অনুপযোগী ঘোষণার পর অবশেষে দানব আকারের ওই কাটা মাছটিকে মাটিকে পুঁতে ফেলা হয়।স্থানীয়রা জানান, বঙ্গপসাগরের ‘দানব’ নামে পরিচিত ২৫ মণ ওজনের একটি খটক মাছটি ধরা পড়ে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ার জেলেদের জালে। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে কাঁঠালিয়া উপজেলার আমুয়া মৎস্য বন্দরে মাছটি নিমালে আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করেন জেলেরা। পরে এটি নিলামে ওঠালে আমুয়ার এক মাছের আড়ৎদার আড়াই লাখ টাকায় মাছটি কিনে আরও বেশি দামে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় মাছের আড়তে বিক্রি করেন।স্থানীয়রা আরও জানান, বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে ২ হাজার টাকা কেজি দরে মাছটি কেটে বিক্রির চেষ্টা চলে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বন বিভাগকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে ভ্রামামাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। খবর পেয়ে মাছ বিক্রেতারা পালিয়ে যান। পরে ওই কাটা মাটিকে হারপিক ছিটিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে জেলের জালে ধরা পড়ল দানবাকৃতির ‘খটক মাছ’, বিক্রি আড়াই লাখ টাকায়!এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী আকলিমা আক্তার বলেন, ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী খটক মাছটি বিক্রি নিষিদ্ধ থাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে মাছটি হারপিক ছিটিয়ে মাটি গর্ত করে চাপা দেয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ইউএনও।এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ফেসবুকে দেখেই আমি মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলাম। বিলুপ্তপ্রায় খটক মাছ ধরা ও বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন জেলা পিরোজপুর জেলা জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।
Go to News Site