Somoy TV
গাইবান্ধায় হাম উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিকুজ্জামান।তিনি বলেন, জেলায় এ পর্যন্ত ২৫জন রোগী হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তাদের ২১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ পাওয়া গেছে। সবার মধ্যেই হামের উপসর্গ ছিল।সিভিল সার্জন বলেন, এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। এসময় শিশুদের জ্বর ও শরীরে এ্যাশ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং আক্রান্ত শিশুদের অন্য শিশু কিংবা মানুষ থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেন। একই সাথে স্কুলগামী কোনো শিশুর উপসর্গ দেখা দিলে বিদ্যালয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকারও পরামর্শ দেন তিনি। তবে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা বলে জানান তিনি। গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে রয়েছে- সদরের মালিবাড়ি ইউনিয়নের শফিক মিয়ার ছেলে মারুফ (৫) এবং শান্তিরাম ইউনিয়নের পাঁচগাছি গ্রামের আরিফ মিয়ার ছেলে সাব্বির (৬)।গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু সাব্বির ৩০ মার্চ এবং শিশু মারুফ ৩১ মার্চ ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া শিশু তাসিন ৩১ মার্চ চিকিৎসা শেষে চলে গেছে।আরও পড়ুন: দ্রুতগতিতে বাড়ছে হাম, আইসিইউ সুবিধা কতটুকু চ্যালেঞ্জের মুখে?জেলা ইপিআই স্টোর বিভাগের সুপারিন্টেন্ডেন্ট শরীফুজ্জামান বলেন, বর্তমানে ৩ জন হাসপাতালে ভর্তি আছে। আক্রান্ত শিশুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার মহাখালীতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেতে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিফ বলেন, বর্তমানে তিনজনের দুইজন শিশু ভর্তি রয়েছে। তাদেরকে জেলা হাসপাতালের হাম আইসোলেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়। তাদের প্রত্যেকের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।তিনি বলেন, এ উপসর্গ নিয়ে গেল এক সপ্তাহে ৯ জন রোগী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। রোগী ও স্বজনদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলায় জন্মের পর ৯ মাস বয়সে ১১ হাজার ৯৮০ শিশুকে এবং ১৫ মাস বয়সে ১১ হাজার ৯৪০ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে। ড্রপআউট হয়েছে মাত্র ৪০ জন শিশু।
Go to News Site